নজরবন্দি ব্যুরোঃ একই দিনে বাংলায় বজ্রাঘাতে মৃত ২৬! এখনো রাজ্যে বর্ষা আসেনি পাকাপাকি ভাবে। তিবে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছিল রাজ্যে কয়েকদিন ধরে চলবে প্রাক-বর্ষা মরশুম। গতকাল বিকেলের দিকে রাজ্যের প্রায় একাধিক জেলায় আকাশ কালো করে আসে। অচিরেই শুরু হয় প্রবল বজ্রাঘাত, বিদ্যুৎ। বৃষ্টির পরিমাণ স্বস্তিদায়ক না হলেও কয়েক ঘন্টার বিদ্যুত-বজ্রপাতে রাজ্যে একই দিনে অরাণ হারিয়েছেন ২৬ জন মানুষ।
আরও পড়ুনঃ বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, সর্তকতা জারি করল নবান্ন


ইতিমধ্যেই নিহতদের পাশে দাঁড়াতে সাহাজ্যের ঘোষণা করেছে কেন্দ্র-রাজ্য উভয়েই। আবহাওয়াবিদদের মতে ইয়াস প্রবর্তী সময়ে রাজ্যে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঢুকেছে, তার ওপর বাংলার মে-জুনের তীব্র গরম, কড়া তাপমাত্রা। দুইয়ে মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে বজ্রপাতের মেঘ। তার ফলেই জেলায় জেলায় বিকেল হতেই শুরু হচ্ছে বিদ্যুত-বজ্রপাত। আকাশ ঢাকছে কালো মেঘে।
গতকাল রাজ্যের ৫ জেলায় বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ২৬ জন। হুগলীর ১১ জন, মুর্শিদাবাদের ৮ জন, বাঁকুড়ার ২ জন, পুর্ব মেদিনীপুরের ২জন, পশ্চিম মেদিনীপুরের ২জন, নদীয়ার ১ জন প্রাণ হারিয়েছেন গতকাল বিকেলে। ইতিমধ্যেই নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্র-রাজ্য উভয়েই।
একই দিনে বাংলায় বজ্রাঘাতে মৃত ২৬! কেন্দ্রের তরফ থেকে ইতিমধ্যে নিহতদের পরিবনার পিছু ২ লক্ষ্ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। একই ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্যের তরফ থেকেও। আগামী কাল-পরশু রাজ্যে নিহতদের পরিবার গুলির সঙ্গে দেখা করতে যাবেন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা বলবেন পরিবার গুলির সঙ্গে, খতিয়ে দেখবেন পারিবারিক অবস্থা। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে গভীর নিম্নচাপ, ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যে প্রবল ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় ইতিমধ্যে সতর্কতা জারি করেছে নবান্ন। চাষি ভাইদের মানা করা হয়েছে মাঠের দিকে না যেতে।










