নজরবন্দি ব্যুরোঃ আবার চাকরি বাতিল করল করল কোলকাতা হাইকোর্ট। প্রাথমিক (primary) ও স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির (ssc recruitment job) পর এবার বন সহায়ক (bana sahayak) নিয়োগ নিয়ে ফের কলকাতা হাইকোর্টে মুখ পুড়ল রাজ্য সরকারের। বিচারপতি সরাসরি ২০০০ জন বন সহায়কের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিলেন।
আরও পড়ুনঃ জীবনকৃষ্ণর পর অপারেশন কৃষ্ণ, বাড়ি ঘিরছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, আজ রাতেই গ্রেফতার!


২০২০-র ২২ জুলাই বন সহায়ক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের (contractual recruitment) একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে রাজ্যের বন দফতর। এই বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে নিয়োগে স্বজনপোষণ ও অস্বচ্ছতার অভিযোগে সৈয়দ মহম্মদ আলি সহ একাধিক চাকরিপ্রার্থী মামলা করেন। শুধু বন সহায়ক পদেই নয়, অন্যান্য পদে নিয়োগ নিয়েও অস্বচ্ছতার অভিযোগ ওঠে। প্রতিটি চাকরি ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছিল বলে অভিযোগ!

এই মামলায় আদালতের নির্দেশে কয়েক দফায় রিপোর্ট জমা দেয় রাজ্য। ২০২২ সালের ২২ জুলাই রাজ্য সরকার রিপোর্ট দিয়ে বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম বর্ধমানে ১৭০টি শূন্যপদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের কথা জানানো হয়। এরপর ১৫ ডিসেম্বর রাজ্য আবারও আদালতে জানায়, মোট শূন্যপদের সংখ্যা ১৬১। যদিও রাজ্যের রিপোর্টে শূন্যপদের জন্য ১৭০ জনের মেধা তালিকার উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর ফের অন্য একটি রিপোর্ট রাজ্যের তরফে জানানো হয়, মেধা তালিকা প্রকাশিত হয়েছে ২০২০ সালের ২৪ নভেম্বর।



সেই মামলায় দুর্নীতির বহর দেখে আজ চরম বিরক্ত হন হাইকোর্টের বিচারপতি লপিতা বন্দোপাধ্যায়। রিনি ২০০০ বন সহায়কের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দিয়ে নতুন করে মেধা তালিকা প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রসঙ্গত রাজীব বন্দোপাধ্যায় ছিলেন তৎকালীন বনমন্ত্রী। তিনি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে মমতা বন্দোপাধ্যায় নিজে দুর্নীতির কথা স্বীকার করেছিলেন। যদিও পরে রাজীব কে দলে ফিরিয়ে নেয় তৃণমূল।
শিক্ষার পর এবার বন দফতর, ২০০০ বন সহায়কের চাকরি বাতিল, নজরে রাজীব








