নজরবন্দি ব্যুরোঃ সোম, মঙ্গলের পর বুধবার। আরও ১১২ জনের নিয়োগের নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এই নিয়ে টানা তিন দিনে ১৮৯ জনকে নিয়গের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ২৮ সেপটেম্বরের মধ্যে ১১২ জনকে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। অর্থাৎ পুজোর আগে ১৮৯ জনের নিয়োগ হতে চলেছে।
আরও পড়ুনঃ Suvendu Adhikari: সিবিআই তদন্তের দাবি বিরোধী দলনেতার, বাগুইআটির ঘটনায় বাড়ছে উত্তাপ
আদালতের তরফে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, রাজ্য শূন্যপদ জানাবে, তার ভিত্তিতে নিয়োগ সুপারিশ, নিয়োগের ক্ষেত্রে সুপারিশ দেবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিয়োগ-নির্দেশ কার্যকর হল কিনা, খোঁজ নেবে হাইকোর্ট। বুধবার স্পষ্ট করে জানালেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

গত সোমবার ২৩ জনকে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। গতকাল আরও ৫৪ জনের নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। গতকাল আদালতের তরফে বলা হয়েছিল, ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার নিয়োগ হয় ২০১৬ সালে এবং ২০২০ সালে।২০১৫ সালে টেটে ফল প্রকাশের সময় এই ২৩ জনকে অনুত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়। অর্থাৎ নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হন তাঁরা। পরে বিশেষজ্ঞ কমিটি জানায় ওই ছয়টি প্রশ্ন ভুল ছিল। ২০১৮-র ১৩ অক্টোবর ছ’টি ভুল প্রশ্ন নিয়ে মামলা দায়ের হয় হাই কোর্টে। এই সময় সকলকে বাড়তি ছয় নম্বর দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়।
অভিযোগ ছিল, আদালতের নির্দেশের পরেও বেশ কিছু জনকে ছয় নম্বর করে দেওয়া হয়নি। ফলত তাঁরা অকৃতকার্য হিসাবে রয়ে গেছিলেন। তাই ২০১৪ এর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২০১৬ সাল এবং ২০২০ সালে যে নিয়োগ হয়েছিল তাতে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। পরে ২০২১ সালে তাঁদেরকে উত্তীর্ণ হিসাবে ধরা হয়।
পুজোর আগে ১৮৯ জনের নিয়োগ, বিরাট পদক্ষেপ আদালতের

সোমবারের পর মঙ্গলবারেও বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে মামলার শুনানি হয়। সেখানে স্পষ্ট করে বিচারপতি জানিয়ে দেন, এখানে ভুল একেবারে স্পষ্ট। ভুল করেছে পর্ষদ। তাই ৫৪ জনকে চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। এরপর বুধবার আরও ১১২ জনের নিয়োগের নির্দেশ দিলেন তিনি।



