লর্ডসে দাদাগিরির ১৮ বছর, নিজেকে অমিতাভ বচ্চনই মনে হয়েছিল-কাইফ

লর্ডসে দাদাগিরির ১৮ বছর, নিজেকে অমিতাভ বচ্চনই মনে হয়েছিল-কাইফ

নজরবন্দি ব্যুরোঃ লর্ডসে দাদাগিরির ১৮ বছর, ২০০২-এর ১৩ জুলাই ন্যাটওয়েস্ট সিরিজে ইংল্যান্ডকে ধরাশায়ী করে ব্যালকনিতে জার্সি খুলে উড়িয়েছিলেন তৎকালীন ভারত অধিনায়ক। সেদিন যেন জার্সি নয়, বিদেশের মাটিতে দাদাগিরির ধ্বজা উড়িয়েছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়৷ ক্রিকেটপ্রেমীদের স্মৃতির সরণিতে এতটুকুও ফিকে হয়নি দিনটা৷

আরও পড়ুনঃ এবার মোহনবাগান রত্ন গুরবক্স সিং ও পলাশ নন্দী।

লর্ডসে দাদাগিরির ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার সময় অতীতের দিকে তাকালে ভারতীয় দলের সেই সাফল্যের কাহিনির পরতে পরতে ছিল লক্ষ লক্ষ দেশবাসীর স্বপ্নপূরণের ছবি। আর সেই স্বপ্নপুরণের অন্যতম কারিগর ছিলেন মহম্মদ কাইফ। ১৮ বছর পর ঐতিহাসিক সেই জয়ের স্মৃতিচারণায় সমানভাবে নস্ট্যালজিক তিনি। ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি জয় নিয়ে বলতে গিয়ে কাইফ বলছেন, ‘ওই জয়টা ভারতীয় ক্রিকেটের পরিসর বাড়িয়ে দিয়েছিল। দেখিয়ে দিয়েছিল যে আমরাও বড় রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে পারি।

আমরাও বড় ফাইনাল জিততে পারি। স্বাভাবিকভাবেই ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতীয় দলের অন্যতম বড় জয় হিসেবে এটাকে দেখেছিলেন অনুরাগীরা।’ কাইফ জানিয়েছেন, ‘আমায় হুড-খোলা জিপে চড়িয়ে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছিল। ৫-৬ কিমি রাস্তা আসতে প্রায় তিন-চার ঘন্টা লেগে গিয়েছিল। মালা হাতে হাসি মুখে রাস্তায় লাইন দিয়ে মানুষজন দাঁড়িয়েছিলেন। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন ভোটে জেতার পর আমার শহরেই একবার অমিতাভ বচ্চনকে এভাবে জিপে ঘুরতে দেখেছিলাম।

ওইদিন আমার নিজেকে অমিতাভ বচ্চনই মনে হয়েছিল।’ অপর দিকে সেই ম্যাচেরই স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে নাসির হুসেনকে হালকা করে ট্রোল করলেন যুবরাজ। নাসির অবশ্য যুবরাজের টুইটটাকে খেলোয়াড় সুলভ মনোভাবেই নিলেন আর তার জবাবও দিলেন। ন্যাটওয়েস্ট ফাইনালের কয়েকটা ছবি এ দিন টুইটারে পোস্ট করেন যুবি। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আমাদের তখন বয়স কম ছিল। আমাদের জেতার খিদে ছিল। অসাধারণ দলগত পারফরম্যান্সে ভর করে সে দিন আমরা ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিলাম।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x