নজরবন্দি ব্যুরোঃ সামনেই ২১শে বিধানসভা নির্বাচন। আর তাতেই সরগরম রাজ্য রাজনীতি। আর তার আগেই তৎপর নির্বাচন কমিশন। আগামী ২০২১ বিধানসভা ভোটে রাজ্যে আসতে পারে ১০০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এমনটাই সূত্রে খবর, নির্বাচন কমিশনের। গত লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে এসেছিল ৭৪৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিন্তু এবার বিধানসভা নির্বাচনে তার থেকে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতে পারে। বিগত কয়েকটি নির্বাচনেই রাজ্যে হিংসাক্তকমূলক ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়ুনঃ চালু হচ্ছে রিমোট ভোটিং-এর প্রযুক্তি, ঘোষণা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের।
ফলে এবার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে চায় নির্বাচন কমিশন। বিরোধীদের দাবি মেনে তিন মাস আগে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো সম্ভব নয়ে বলে আগেই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে নির্বাচনের অনেক আগেই এবার রাজ্যে এসে পৌঁছতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এমনটা ইঙ্গিত দিয়েছে কমিশন।
করোনা পরিস্থিতিতে ভোট করানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন। ফলে আর জন্য বুথের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। জানা গিয়েছে এবার মূল বুথের সংখ্যা ৭৮,৯০৩টি। খুব স্বাভাবিক ভাবেই বুথের সংখ্যা বেড়ে বুথের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০১৭৯০টি। ফলে এই ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যাটাও যে বাড়বে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই নির্বাচনের ফুলবেঞ্চের রাজ্যে পরিদর্শ্নের জন্য এসেছিলেন।কয়েকমাস পরই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। সূত্রের খবর ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। সেক্ষেত্রে আগামী ৫ মে-র আগে রাজ্যে ভোট মিটিয়ে ফেলতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। করোনা আবহে ৬ থেকে ৭ দফায় নির্বাচন করানোর পরিকল্পনায় রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।
জাতীয় ভোটার দিবসকে কেন্দ্র করে গত বছর টুইট করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। টুইট বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী লিখেছিলেন, ”আমাদের দেশ পৃথিবীর মধ্যে সর্ববৃহত্ গণতন্ত্র। সেই গণতন্ত্র, যেখানে ভোটাররাই শেষ কথা। ভোটদাতাদের আমরা কুর্নিশ জানাই। আমরা সবাই নাগরিক।”
রাজ্যপালের বার্তা ছিল, ”গণতন্ত্রে আমাদের বিশ্বাস আরও মজবুত করতে হবে। গণতন্ত্রে ভোটাধিকার প্রাথমিক শর্ত। ভোটাধিকার প্রয়োগে আমাদের বাধাহীন, নির্বিঘ্ন এবং স্বাধীন মতপ্রকাশের পরিবেশ রাখতে হবে। আমরা সকলেই সেই লক্ষ্যে কাজ করব।”এইদিন রাজ্যপালও ট্যুইটএর মাধ্যমে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়েও এদিন তোপ দাগেন রাজ্যপাল।



