নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিজেপি নয় ভরসা বামেই! সিপিআইএমে যোগ দিল শতাধিক পরিবার। এ যেন উলোটপুরাণ! রাজ্যে আসছে বছর বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন। প্রতিদিনই খবর আসে তৃনমূল বা বিজেপি তে যোগদানের। কিন্তু আজ স্রোতের বিপরীতে হাঁটলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের শতাধিক পরিবার। ঘটনাস্থল কেশপুর। পালাবদলের পর হাতছাড়া হওয়া বামেদের একদা দূর্গ কেশপুরে এদিন বিভিন্ন দল থেকে সিপিআইএমে যোগ দিলেন প্রায় ১২৫ টি পরিবার।
আরও পড়ুনঃ ৪৪ হাজার বিপিএল ফর্মের ডিজিটাল রুপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত কলকাতা পুরসভার।


বিজেপি নয় ভরসা বামেই! এই যোগদানেরবেশির ভাগই বিজেপি থেকে আগত। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় থেকেই এই পরিবারগুলির সদস্য রা বিজেপি-র সমর্থক ছিলেন। সেই ধারা অব্যাহত থাকে লোকসভা নির্বাচনেও। কিন্তু করনা পরিস্থিরি সব বদলে দিল। জানা গিয়েছে এই পরিবারগুলির একাধিক সদস্য পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কিন্তু অপরিকল্পিত এবং আচমকা লকডাউনে আটকে পরেন তাঁরা। সেই সময় বিভিন্ন রাজ্যে মূলত বামেদের উদ্যোগে তাঁদের কাছে খাওয়ার সহ ন্যুনতম ব্যাবহার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে লকডাউনে যখন মানুষ খেতে পাচ্ছেন না, তখন সিপিআইএমের তরফে কমিউনিটি কিচেন গড়ে নিরন্ন মানুষের মুখে খাদ্য তুলে দেওয়া হয় কেশপুরে। যোগদানকারীরা জানিয়েছেন, “লকডাউন কাছের মানুষ চিনিয়েছে। জানিনা আমাদের সমর্থনে লাল পার্টি ভোটে জিতবে কিনা, কিন্তু আমাদের আজীবন সমর্থন থাকবে। এরা যা করেছে তা ভোলার নয়।” বলা বাহুল্য, এই যোগদান নতুন করে অক্সিজেন জুগিয়েছে আলিমুদ্দিন কে।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যে করোনায় কোন বয়েসের কত জন মারা গেলেন জানেন? ভয় কমাতে পড়ুন।


সিপিআইএমের রাজ্য কমিটির সদস্য তাপস সিনহা জানিয়েছেন, “তৃণমূল জন্মলগ্ন থেকেই কেশপুরকে অস্থির করে রেখেছে। পরে বিজেপি বিভ্রান্ত করেছে। কিন্তু লকডাউন পরিস্থিতিতে বামপন্থীদের ছাড়া কেশপুরে কাউকে দেখা যায়নি। সেই কারণেই তৃণমূল বা বিজেপির প্রতি আস্থা হারিয়ে মানুষ নতুন করে সিপিআইএমকে ভরসা করছে।”







