নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েত নির্বাচনে গোটা রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে কেন্দ্রের কাছে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছিল। বুধবার দ্বিতীয় দফায় বরাদ্দ ৩১৫ কোম্পানির মধ্যে ১০ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে এল। এই ১০ কোম্পানিই সিআরপিএফ জওয়ান। আজ সকালেই বীরভূমের মল্লারপুর স্টেশনে এসে পৌঁছায় তারা। কোন কোন জেলায় মোতায়েন করা হবে এই ১০ কোম্পানি বাহিনী?
আরও পড়ুন: পিছোতে পারে বিরোধী বৈঠকের দিন-স্থান, এবার আয়োজকের ভূমিকায় Congress!
জানা গিয়েছে, ১০ কোম্পানি সিআরপিএফ জওয়ানের মধ্যে ১ কোম্পানি মহিলা জওয়ান রয়েছে। এদের মধ্যে ৬ কোম্পানি বীরভূমে, ৩ কোম্পানি মুর্শিদাবাদে মোতায়েন করা হবে। বাকি এক কোম্পানি মোতায়েন করা হবে নদিয়ায়। এক কোম্পানি সিআরপিএফ মহিলা জওয়ানদের পাঠানো হচ্ছে নদিয়ায়। আগেই ২ কোম্পানি সিআরপিএফ বীরভূমে এসে গিয়েছিল। আজ এল আরও ৬ কোম্পানি। এছাড়া, এদিনই বিকেলের মধ্যে আরও ২ কোম্পানি আইটিবিপির জওয়ান মোতায়েন করা হতে পারে। এখনও পর্যন্ত এই জেলাতেই সর্বোচ্চ কোম্পানি বাহিনী পৌঁছেছে।

আগামী ৮ জুলাই এক দফায় রাজ্যে অনুষ্ঠিত হবে পঞ্চায়েত নির্বাচন। চলতি মাসে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এরইমধ্যে মনোনয়ন পর্বে অশান্তির ছবি ফুটে ওঠে। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয় ভোট করানোর নির্দেশ দেন। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। যদিও শীর্ষ আদালত হাইকোর্টের রায়কেই পুনর্বহাল করেন।

সুপ্রিম কোর্ট এবং কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা প্রথমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে চিঠি দেন। এনিয়েও সরব হয়েছিল বিরোধীরা। তাঁদের দাবি ছিল, ২২ জেলায় ভোটের জন্য ২২ কোম্পানি বাহিনী থাকা না থাকার সমান। এনিয়ে প্রধান বিচারপতির ভর্ৎসনার মুখে পড়েন কমিশনার। এরপর দ্বিতীয় দফায় ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়। যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জবাবে জানিয়েছিল ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী শীঘ্রই রাজ্যে পৌঁছাবে। কিন্তু বাকি ৪৮৫ কোম্পানি নিয়ে কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি।
৩১৫-র মধ্যে ১০ কোম্পানি CRPF জওয়ান রাজ্যে পৌঁছাল, কোন কোন জেলায় মোতায়েন?




