নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিজেপিতে কাজ করতে অসুবিধে হচ্ছে। বিজেপিতে টাকা চাওয়ার লোক বেশী। কেন বিজেপি করা যায় না? তা তৃণমূলের মুখপত্র জাগো বাংলায় বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন প্রবীর ঘোষাল। উত্তরপাড়ার প্রাক্তন বিধায়কের মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা।
আরও পড়ুনঃ SSC: নিয়োগ দুর্নীতিতে চাঞ্চল্যকর মোড়। কঠোরতম পদক্ষেপ কলকাতা হাই কোর্টের।
তিনি লিখেছেন, “বিজেপির অসংখ্য শাখা সংগঠন। পদাধিকারীদের সকলকেই নিজেদের নেতা বলে মনে করেন। কিন্তু কর্মী নন কেউই। তাঁদের সকলের আলাদা আলাদা দাবী-সনদ। বেশীরভাগই অর্থকেন্দ্রিক”। এমনকি ভিন রাজ্য থেকে আসা বিজেপি নেতারা নানা অছিলায় টাকা নিতেন। এমনও জানিয়েছেন তিনি। প্রবীর ঘোষালের এই মন্তব্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে ঘটা করে বিজেপিতে যোগাদান করেছিলেন উত্তরপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। সঙ্গে ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হন তাঁর পুরাতন কেন্দ্রে। কিন্তু ওই কেন্দ্রেই তৃণমূল প্রার্থী অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিকের কাছে পরাজিত হন তিনি।
নির্বাচনের পর থেকে গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে। একাধিক অছিলায় এড়িয়ে যান রাজ্য কমিটির বৈঠক। দীর্ঘ সময় ধরে দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়ে তৃণমূলে ঘরওয়াপসি হয় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেইপথে হেঁটেই কী তৃণমূলে ফিরতে চলেছেন প্রবীর ঘোষাল? জল্পনা তুঙ্গে।
বিজেপিতে টাকা চাওয়ার লোক বেশী, তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন প্রবীর ঘোষালের!

যদিও এর আগে প্রবীর ঘোষালের প্রত্যাবর্তন ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছিল। প্রবীর ঘোষালের মাতৃবিয়োগে খবর নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই জল্পনার মধ্যেই সেবার কোননগরের একাধিক এলাকায় পোস্টার পড়তে শুরু করে। সেবার শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তে ফিরতে পারেননি প্রবীর বাবু। তবে এবার ‘জাগো বাংলা’র লেখনীর মাধ্যমে তৃণমূলের রাস্তা মসৃণ করছেন তিনি?



