নজরবন্দি ব্যুরোঃ নির্বাচনী ঘোষণার পর থেকে ব্যাটেলগ্রাউন্ড হয়ে উঠেছে উত্তরপ্রদেশ। শাজাহানপুর থেকে সোনভদ্র অবধি রাজনীতির গন্ধে ভরে গেছে। পদ্ম, হাত, সাইকেল, হাতি সবাই নিজের প্রতীকে প্রচার শুরু করেছেন৷ শেষ মুহুর্তে সেমিফাইনালে ম্যানেজ দিতে পারবে বিজেপি? নাকি হাওয়া বদলের রাজনীতিতে ফিরে আসবে অখিলেশ?
আরও পড়ুনঃ Yogi Adityanath: অয্যোধ্যার জন্য বড় চমক, গোরক্ষপুরেই প্রার্থী হচ্ছেন যোগী
টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ৪০৩ আসনের লড়াইয়ে সম্ভাবনাময় অবস্থানে অখিলেশ এবং শরীক দল। কারণ, গত পাঁচ বছরের রিপোর্ট কার্ডে পিছিয়ে যোগী আদিত্যনাথ। কোভিড ম্যানেজমেন্ট থেকে আইনশৃঙ্খলা, সবটাতেই প্রশ্নে জেরবার হয়েছে বিজেপি পরিচালিত সরকার।
নির্বাচনের প্রাক মুহুর্তে দল ছাড়ছেন অনেক নেতা থেকে বিধায়ক এবং মন্ত্রীরা৷ বিজেপি ত্যাগে দোষের আঙুল সরকারের দিকেই৷ সরকারের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন করা বিধায়কদের গলার স্বর বিরোধীদের মতোই। তা থেকেও ঘুম কাটছে না কেন্দ্রের বিজেপি নেতাদের? যদিও উত্তরপ্রদেশের বিজেপি অন্দরে যোগী বিকল্প নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। সেই তালিকায় প্রথম স্থানেই রয়েছেন সদ্য গেরুয়া শিবিরে যোগদানকারী প্রাক্তন আমলা একে শর্মা৷
এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছিলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। তখন মুখ্যমন্ত্রী দফতরে নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ আমলা ছিলেন একে শর্মা। সম্প্রতি তাঁকেই বিজেপিতে যোগদান করিয়ে একেবারে সাধারণ সম্পাদকের পদে উন্নীত করা হয়েছে৷ প্রচারে তাঁকে ঘিরেও প্রত্যাশা রয়েছে প্রথম সারীর বিজেপি নেতাদের মধ্যে৷ প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে চলছে স্লোগান। অনেকেই বলছেন গত পাঁচ বছরে যোগীর কর্মকাণ্ডে খুশি নন বহু অংশের ভোটাররা। হাওয়া বদলের অখিলেশ এখন মূল ফোকাসে৷
রিপোর্ট কার্ডে পিছিয়ে যোগী, মুখ্যমন্ত্রী দৌড়ে একে শর্মা!

যদিও অন্যান্য রাজ্যের মতো উত্তরপ্রদেশে ভুল করতে চায় না বিজেপি। রিপোর্ট কার্ডে যোগী আদিত্যনাথ পিছিয়ে থাকলেও তাঁকেই উপযোগী বলছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এমনকি যোগীই যে আগামী দিনে বিজেপির মুখ, তা স্পষ্ট করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন যোগীর ডেপুটি কেশব প্রসাদ মৌর্য। গত কয়েকদিনে বিজেপির ভাঙন রুখতে ব্যর্থ হওয়া সেই নেতার ওপর রাজ্যের দায়িত্ব তুলে দেবেন দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গের নেতারা? লখনউয়ের পানের দোকানে নতুন চর্চা শুরু এখন থেকেই৷



