নজরবন্দি ব্যুরোঃ কিছুদিন আগেই ইডির হাতে গ্রেফতার হয়ে এখন প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি রয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূলের প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। অন্যদিকে গতকালই বীরভূম জেলার তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মন্ডল কে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে এসেছে সিবিআই। আপাতত ১০ দিনের কাস্টডি। সেই খবর জেলে বসেই টিভিতে দেখেন পার্থ। সূত্রের খবর, খবর দেখে কিছুটা স্বস্তি দেখা যায় পার্থ বাবুর মুখে।
আরও পড়ুনঃ ‘মন্ত্রিসভার বৈঠক এরপর জেলে করতে হবে’, বড় ইঙ্গিত দিলেন দিলীপ
গতকাল যখন সিবিআই অনুব্রত মণ্ডলকে বোলপুরের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসছে তখন হৈহৈ পড়ে যায় সংবাদমাধ্যমে। সংবাদমাধ্যমে লাইভ টেলিকাস্ট দেখানো শুরু হয়। ডিজিটাল মিডিয়ায় একের পর এক খবর আছড়ে পড়ে। তখন প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায় অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে টিভি স্ক্রিনের দিকে। অনুব্রতর খবরে বিচলিত পার্থ মাথা নীচু করে একটু পায়চারি শুরু করেন।

অস্থির ভাবে পায়চারি করতে করতে পার্থ তাকাচ্ছিলেন বার বার সেলের বাইরে, যদি কোন রক্ষীর দেখা পাওয়া যায়। ঠিক তখনই সেখানে হাজির হন কারারক্ষীরা। টিভি স্ক্রিন থেকে তাঁদের দিকে ঘাড় ঘুরিয়ে রক্ষীদের পার্থ প্রশ্ন করেন, ‘অনুব্রত কি এই জেলেই আসবে?’ রক্ষীরা এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি। কিন্তু প্রশ্ন শুনে পাশের সেল থেকে বিদ্রুপ ছুঁড়ে দেন অন্য বন্দীরা।
‘অনুব্রত কি এই জেলেই আসবে?’ প্রেসিডেন্সি জেলের রক্ষীদের প্রশ্ন পার্থর

সেলের এক বন্দি বলে ওঠেন, কেন্দ্রীয় সংস্থা এখন বেছে বেছে মোটা লোকদের ধরছে। এই মন্তব্য শুনে হাসির রোল ওঠে জেল জুড়ে। বিরক্ত পার্থ ফের প্রশ্ন করেন রক্ষীদের, অনুব্রত কি এই জেলেই আসবে? তবে এবারেও সেই প্রশ্নের উত্তর দেননি জেলের রক্ষীরা। কিন্তু কেন এমন প্রশ্ন করলেন পার্থ বাবু?

সূত্রের খবর, পার্থ ঠিক যেভাবে অনুব্রতর গ্রেফতারির খবর দেখেছেন জেলের সেলে বসে তেমনভাবেই দেখেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সাংবাদিক সম্মেলন। যেখানে সুকান্ত বলেছিলেন, অনুব্রতকে গ্রেফতার হতেই হবে। কারণ পার্থ ওখানে অপেক্ষা করছে।



