নজরবন্দি ব্যুরোঃ অন্যান্য সমস্ত পুজোর মত বিশ্বকর্মা পুজোও হিন্দু ধর্মে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারন বিশ্বকর্মা পুজো আসার সাথে সাথে পরে যায় দুর্গাপুজোর ঢাকের কাটি। এই বিশেষ দিনেই সকলে মত্ত হয় ঘুড়ি ওড়াতে। বিশ্বকর্মা পুজো সাধারণত করেন শিল্পী, কারিগর এবং শ্রমিকরা।
আরও পড়ুনঃ ED র্যাডারে বলিউড তারকারা, টাইগার শ্রফ, সানি লিওনি সহ নাম জড়াল আরও ১৪ জনের


এছাড়াও এই পুজো তে সুখ, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করা হয়। শিল্পী, কারিগর এবং শ্রমিকদের সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি পুজো করেন। তবে এর আগে প্রত্যেকবছর পুজো পালন করা হত ১৭ তারিখে। কিন্তু ২০২৩ সালে কেন তার অন্যথা হল? এই প্রশ্নর উত্তর খুঁজছে অনেকেই।

পঞ্জিকা অনুযায়ী দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার পুজো মানেই প্রতি বছর ১৭ই সেপ্টেম্বর। এক মাত্র এই ঠাকুরেরই এরকম বাঁধাধরা নিয়ম আছে। যেটা হিন্দু অন্য দেবতাদের ক্ষেত্রে নেই। বাকি সমস্ত দেব দেবীদের পুজোর ক্ষেত্রে সেই তারিখ এগিয়ে অথবা পিছিয়ে যায়।



কিন্তু এবছরের এরম নিয়মের হেরফের কেন হল? কেনো এই অদ্ভুত নিয়ম? কি রহস্য রটেছে তা ঘিরে? সনাতন হিন্দু ধর্ম অনুসারে প্রায় বেশিরভাগ দেব দেবীর পুজো হয় চাঁদের গতিপ্রকৃতির উপর নির্ভর করে। কিন্তু বিশ্বকর্মার ক্ষেত্রে তা হয় সূর্যের গতিপ্রকৃতির উপর ভিত্তি করে।
এইবছর ১৭ তারিখের পরিবর্তে ১৮ তারিখ কেন বিশ্বকর্মা পুজো? জানুন রহস্য

হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে ভাদ্র মাসের শেষ দিনে সূর্যের সিংহ রাশি থেকে কন্যা রাশিতে গমন করে। সূর্যের গতি অনুসারেই তৈরি হয় বিশ্বকর্মা পুজোর তারিখ। আর এই বছর ১৭ই সেপ্টেম্বর, ভাদ্র মাসের শেষ দিন পরেনি। পড়েছে ষষ্ঠী তিথি। তাই ১৮ তারিখ ভাদ্র মাসের শেষ দিন হওয়ায় এইবছর বিশ্বকর্মা পুজো ১৮ই সেপ্টেম্বর পালিত হবে।







