নজরবন্দি ব্যুরোঃ ঈদে ছাড় কেন কেরলে? আর তাই নিয়েই এবার বিতর্কের মুখে পিনরাই বিজয়ন। এই মুহুর্তে দেশের করোনার বাড়বাড়ন্ত কম হলেও ভাবনা বাড়িয়েছে কেরল। সঙ্গে উত্তর পূর্বের বেশ কয়েকটি রাজ্যও। করোনার প্রথম দফায় যেখানে দেশের কাছে মডেল হয়েছিল কেরল সেই বিজয়নের রাজ্যেই এবার পরিস্থিতি হাতের বাইরে।
রাজ্য জুড়ে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে লাগু হয়েছে লকডাউন। তার মধ্যেই নয়া বিতর্ক ছড়িয়েছে সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায়। বকরি ঈদ উপলক্ষ্যে লকডাউনের মধ্যেও আগামী ১৮, ১৯ এবং ২০ জুলাই লকডাউন শিথিল করার কথা বলেছেন তিনি। অর্থাৎ রাজ্য জুড়ে কড়া লকডাউন থাকলেও ওই তিনদিন খোলা থাকবে কেরলের বাজার ঘাট।


আরও পড়ুনঃ অধীরে আস্থা রেখে বিক্ষুব্ধদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে মাস্টার স্ট্রোক সোনিয়ার
আর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। করোনার অবশ্যম্ভাবী তৃতীয় ঢেউয়ের বিষয়ে কেরল সরকারকে সতর্কও করল চিকিৎসকদের সংগঠন। পাশাপাশি জানিয়ে দেওয়া হয়, যদি বিধিনিষেধ তোলার সিদ্ধান্ত বাতিল না হয়, তা হলে আদালতে যাবে সংগঠন। চিকিৎসকদের সংগঠন প্রশ্ন তুলেছে দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন একাধিকবার করোনা পরিস্থিতিতে জমায়েত এড়িয়ে চলতে বলছেন, দেশের বিভিন্ন রাজ্যের স্থানীয় ধর্মীয় অনুষ্ঠান বাতিল করা হচ্ছে ঠিক তখনই বকরি ঈদে কেরল সরকার ছাড় দিচ্ছে কোন যুক্তিতে।
ঈদে ছাড় কেন কেরলে? এবার আদালতে যাবার হুমকি চিকিৎসক সংগঠনের
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভি তিনি বলেন, কেরল করোনার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে, তাই সেখানে ঈদের জন্য ছাড় দেওয়া উচিত হয়নি। যদি কাঁওয়াড় যাত্রা বাতিল হয় তাহলে কেন বকরি ঈদের মতো অনুষ্ঠান করতে হবে।










