নজরবন্দি ব্যুরোঃ অধীরে আস্থা রেখে বিক্ষুব্ধদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে মাস্টার স্ট্রোক সোনিয়ার। আগামিকাল থেকে শুরু হচ্ছে লোকসভার বাদল অধিবেশন। তার আগে দলনেতা হিসেবে অধীর চৌধুরীর উপরেই আস্থা রাখছেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট সোনিয়া গান্ধি। তবে বিক্ষুব্ধ জি-২৩ গোষ্ঠী থেকে জরুরি নেতাদের তুলে এনে সংসদের অন্দরে তাঁদের গুরুত্ব বৃদ্ধিও করা হচ্ছে।
ডেপুটি দলনেতা হিসেবে কাজ করবেন তরুণ গগৈয়ের পুত্র গৌরব গগৈ, গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাচ্ছেন শশী থারুররাও। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রবীণ মুখ পি চিদাম্বরম,মণীশ তিওয়ারি, অম্বিকা সোনি এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দ্বিগ্বিজয় সিংকেও গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দেওয়া হচ্ছে। সংসদে রণকৌশল স্থির করার জন্য অধিবেশনের মুখে একটি ৭ সদস্যের স্ট্র্যাটেজি কমিটি বানিয়েছেন সোনিয়া।
আরও পড়ুনঃ বছর পেরিয়ে গেলেও নিয়োগ হয়নি স্বাস্থ্য দফতরে, সুরাহা খুঁজতে চিঠি মমতাকে
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে দেশজুড়ে কংগ্রেসের শোচনীয় হারের পর কংগ্রেসের অন্দরে দেখা দিয়েছে তীব্র মনোমালিন্য। কংগ্রেসের অনেক নেতারাই দলের অন্দরে বিক্ষুব্ধ ও বিদ্রোহী হয়ে ওঠেন। তবে এবারে সংসদে বাদল অধিবেশনের আগে সোনিয়া গান্ধী দলের বিক্ষুব্ধ ও বিদ্রোহী নেতাদের সংসদীয় কমিটিতে স্থান দিয়ে মূলত জোটবদ্ধ হয়ে সংসদে আওয়াজ তোলার পন্থা নিলেন।
অধীরে আস্থা রেখে বিক্ষুব্ধদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে মাস্টার স্ট্রোক সোনিয়ার
কেন্দ্রীয় সরকারের উপর চাপ বাড়ানোর লক্ষ্যে এবারে গুরুত্ব দেওয়া হলো পি চিদম্বরম, মণীশ তিওয়ারি, অম্বিকা সোনি, শশী থারুর, অধীর চৌধুরী, দিগ্বিজয় সিংয়ের মতো নেতাদের। উল্লেখ্য, এর আগে কংগ্রেসের সাংগাঠনিক পদে রদবদল চেয়ে সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখে দলীয় হাইকম্যান্ডের রোষের মুখে পড়েছিলেন কংগ্রেসের প্রবীণ ২৩ জন নেতা। যাদের পরবর্তীতে দলে পদ হারাতে হয়। তবে এবারে আর সেই বৈরিতা ভুলে গিয়ে সংসদীয় কমিটিতে মিলিয়ে মিশিয়ে সকলের স্থান করে দিলেন সোনিয়া গান্ধী।



