রাস্তায় বিজেপি, অতি ‘সক্রিয়’ পুলিশ, বামেদের ক্ষেত্রে কেন ‘নরমপন্থী’ মমতা?

রাস্তায় বিজেপি, অতি 'সক্রিয়' পুলিশ, বামেদের ক্ষেত্রে কেন 'নরমপন্থী' মমতা? আসলে আপসের রাজনীতি করছেন রাজ্য সরকার দাবি বিজেপি নেতার।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

আর জি কর কাণ্ডে তিলোত্তমার খুনি ও ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বামপন্থী ছাত্র যুব ও মহিলা সংগঠনের পক্ষ থেকে ধর্মতলা চলো অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকে আগত বাম ছাত্র যুব মহিলা কর্মীরা এ দিন দুপুরে মূলত হাওড়া স্টেশনে জমায়েত করে সেখান থেকেই পায়ে হেঁটে হাওড়া ব্রিজ হয়ে ধর্মতলার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় মিছিল। একই সাথে শিয়ালদা দিয়ে এবং কলকাতা জেলা এসএফআই কমিটির মিছিলটি পাক স্টিট মেট্রো তিন নম্বর গেট থেকে মিছিল করে ধর্মতলায় ডোরিনা ক্রসিং এ পৌঁছায় সেখানে তিনটি মিছিল একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করে।

অন্যদিকে আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে বারংবার রাস্তায় নেমেছে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। থানা ঘেরাও থেকে শুরু করে লাল বাজার অভিযান। একাধিক কর্মসূচি তে অংশ নিয়ে তারা বোঝাতে চেয়েছেন যে তারা রাজ্যের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে সাধারণ মানুষ দের পাশে আছে। কিন্তু তাৎপর্য পূর্ণ ভাবে তাদেরকে প্রতিবারের কর্মসূচি তে পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। এমনকি পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি তেও জড়িয়েছেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এবিষয়ে এক বিজেপি নেতা প্রশ্ন তুলেছেন,”রাস্তায় যখন প্রতিবাদে বিজেপি নামে তখন অতি তৎপরতা দেখা যায় রাজ্যের পুলিশের। কিন্তু অপরদিকে যখন বামেরা রাস্তায় নামেন তখন পুলিশের এই সক্রিয়তা দেখা যায়নি কেন? আসলে আপসের রাজনীতি করছেন রাজ্য সরকার।”

Shamim Ahamed Ads

অন্যদিকে ধর্মতলা চত্বরে আগামী ২ মাস কোন জমায়েত করা যাবেনা বলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কলকাতা পুলিশ। ২৫ সেপ্টেম্বর ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ধর্মতলায় জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা। যার বিরোধিতা করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বামেরা। মামলাকারীর আইনজীবীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে,”সামনে পুজো তাহলে কি পুজোতেও মানুষ রাস্তায় নামবে না। এবার রাজ্য সরকার বলবে মণ্ডপে ২ জনের বেশি থাকা যাবেনা। তাই রাজ্য প্রশাসনের সব দাবি এভাবে মেনে নেওয়া যায়না।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত