নজরবন্দি ব্যুরো: সের্গিও লোবেরার সঙ্গে নাকি ইস্টবেঙ্গলের কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়ে গেছে, এরকমটাই শোনা যাচ্ছে কয়েকদিন যাবত। কিন্তু তিনি কি আদৌ আসবেন লাল-হলুদে? স্প্যানিশ কোচ নিজেও নাকি ইস্টবেঙ্গলের কোচ হতে তীব্র আগ্রহী। কলকাতার অন্যতম বড় ক্লাবকে সাফল্য দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য তৈরি। তাহলে এত বিলম্ব কেন?
আরও পড়ুন: Weather update: ৪০ ডিগ্রি পারদ চড়বে বাংলায়! জারি তাপপ্রবাহের সতর্কতা, বৃষ্টি কি হবে?



হঠাৎই নাকি পরিস্থিতি পাল্টে গিয়েছে। ওডিশা এফসির মতো ক্লাব লোবেরাকে কোচ করার জন্য আসরে নেমে পড়েছে। এরপর প্রশ্ন উঠেছে, তা হলে কি লাল-হলুদে আসছেন না আইএসএলের অন্যতম সফল কোচ? অথচ সের্গিও লোবেরার সঙ্গে প্রাথমিক কথা হওয়ার পরেই চুক্তির কাগজপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গলের কর্তারা। তা হলে এখনও কেন চুক্তিতে সই করেননি লাল-হলুদ কোচ?



লোবেরা এফসি গোয়া থেকে আইএসএলের টিম মুম্বই সিটি এফসির কোচ হয়েছিলেন। তখন থেকেই স্প্যানিশ কোচ সিটি গ্রুপের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। ওই গ্রুপেরই হাত ধরে চিনের ক্লাব সিচুয়ান জিউনিউয়ের কোচিংয়ের দায়িত্ব নেন গত মরসুমে। করোনা ইস্যুতে চিনের ক্লাব ছেড়ে আসতে রাজি লোবেরা। তার জন্য দরকার এনওসি। যা সিটি গ্রুপ থেকে এখনও মেলেনি। তা যতক্ষণ হাতে আসছে না, ততক্ষণ তিনি কোনও ক্লাবে সই করতে পারবেন না। তবে এনওসির জন্য সিটি গ্রুপের কাছে ইতিমধ্যেই আবেদন করেছেন স্প্যানিশ কোচ। লোবেরা আশাবাদি, গ্রুত এনওসি পেয়ে যাবেন। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তরফে আশা করা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই হয়তো লোবেরার সঙ্গে চুক্তি সংক্রান্ত জটিলতা মিটে যাবে। স্প্যানিশ কোচ চুক্তিপত্রে সই করলেই, তাঁকে ভারতে আসার ভিসা পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
এখনও কেন চুক্তিতে সই করেননি লাল-হলুদ কোচ, উঠছে প্রশ্ন

ওডিশা এফসি লোবেরাকে কোচ করার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করলেও তিনি নাকি ওডিশাতে যেতে রাজি নয়। তিনি চাইছেন ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব নিতে, এমনও বলা হচ্ছে ঘনিষ্ঠ মহল থেকে। শুধু ভালো কোচ আনার ব্যাপারটাতেই নয়,গত কয়েক বছরে আইএসএলে লাল-হলুদের পারফরম্যান্স একেবারেই সন্তোষনজক নয়। এবার একটা ভালো দল করতে মরিয়া কর্তারা। এ নিয়ে ইনভেস্টর ইমামির সঙ্গে অনেক বৈঠকও হয়েছে। আর তাই জাতীয় দলের বেশ কয়েক জন ফুটবলারকে টার্গেট করেছে ইস্টবেঙ্গল। মন্দার রাও দেশাই, নন্দ কুমাররা আছেন তালিকায়। রহিম আলিও রয়েছেন ইস্টবেঙ্গলের নজরে। স্ট্রাইকারের পাশাপাশি আরও দুটো পজিশনে খেলতে পারেন রহিম। ট্রান্সফার ফি দিয়ে ফুটবলার ছিনিয়ে আনতেও উদ্যোগী বিনিয়োগকারী সংস্থা। তবে সেই ক্লাব যদি ফুটবলারদের না ছাড়ে সেটাই একমাত্র বাধা হতে পারে। চেষ্টার ত্রুটি রাখছে না ইস্টবেঙ্গল।







