নজরবন্দি ব্যুরো: শনিবার রাজস্থানে বিধানসভা নির্বাচন। হাতে আর ২৪ ঘন্টাও সময় নেই। তার আগে কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী নিয়ে এখনও জটিলতা চলছে কংগ্রেস শিবিরে। এই মুহূর্তে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলত। এদিকে আবার ‘গেহলত-বিরোধী’ শিবিরের পক্ষ থেকে সচিন পাইলটকে সমর্থন করা হচ্ছে। এখন কংগ্রেস হাইকম্যান্ড কাকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে বেছে নেবে তা নিয়ে কিন্তু ভোটের আগের দিনও জল্পনা চলছে।
আরও পড়ুন: কাতারের কাছে আর্জি ভারতের, নৌসেনার প্রাক্তন কর্মীদের যেন মৃত্যুদণ্ড দেওয়া না হয়
লোকসভা নির্বাচনের আগে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। যার মধ্যে শনিবার রাজস্থানের ২০০ টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। এই মুহূর্তে শেষ হয়েছে ভোটের প্রচার। ফলাফল আগামী ৩রা ডিসেম্বর। পরিসংখ্যান বলছে, রাজস্থানে মোট ২০০টি আসনের মধ্যে ১০৮টি রয়েছে কংগ্রেসের দখলে। যেখানে বিজেপির দখলে রয়েছে ৭০টি আসন।

গত বিধানসভা নির্বাচন জেতার পর কংগ্রেস শিবির পক্ষ থেকে প্রবীণ নেতা অশোক গেহলতকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়। কিন্তু বিগত পাঁচ বছরে রাজস্থানের রাজনীতিতে বেশ কিছু বদল এসেছে। তৈরি হয়েছে ‘গেহলত-বিরোধী’ গোষ্ঠী। আর সেখানে আরেক নবীন নেতা নিজের অবস্থান আরও স্পষ্ট করেছেন। তিনি হলেন সচিন পাইলট। এই মুহূর্তে তিনি রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী।
যদিও মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামাতে চাইছেন না অশোক গেহলত। ভোটের আগের দিনও তাঁর বক্তব্য, “বরাবর হাইকমান্ড যা চেয়েছে আমার ভূমিকা তেমনটাই হয়েছে। আমি কখনও নিজের ভূমিকা ঠিক করি না। হাইকমান্ড যা মনে করবে আমি সেই দায়িত্ব পালন করে যাব।”

রাত ফুরোলেই ভোট প্রক্রিয়া শুরু হলেও কংগ্রেসের তরফে কিন্তু এখনও পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে কারুর নামই ঘোষণা করা হয়নি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীন রাজ্যগুলিতে ফের একবার ক্ষমতা ধরে রাখাটাই বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে কংগ্রেসের জন্য। অশোক গেহলত যে রকম অনেকদিন ধরে দায়িত্ব সামলে আসছেন, সেখানে আবার সচিন পাইলটের জনপ্রিয়তাও কিন্তু বেশ নজরকাড়া।
রাত ফুরোলেই বিধানসভা নির্বাচন, মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী নিয়ে এখনও জটিলতা কংগ্রেস শিবিরে
ফলে কংগ্রেস হাই কমান্ডের অভ্যন্তরে এই দ্বন্দ্ব অত্যন্ত স্বাভাবিক। যদিও অশোক গেহলত স্পষ্ট করেছেন যে তিনি শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য লড়ছেন না। অন্যদিকে, সচিন পাইলট দীর্ঘদিন পরে একবার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে অভিষেক গ্রহণ করতে পারবেন কিনা সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।




