নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত কয়েক দিন ধরেই বেড়ে চলেছে চিন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার দৈনিক করোনা সংক্রমণ। প্রায় এক বছর পর দেশে করোনা মৃত্যু উদ্বেগ বাড়িয়েছে চিন সরকারের। এশিয়াজুড়ে বেলাগাম করোনা সংক্রমণ -এর মধ্যে সতর্ক করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এখনই মহামারী থেকে মুক্তি মেলেনি। দাবী হু -এর মুখপাত্রের।
আরও পড়ুনঃ Russia-Ukarine War: মারিওপোলের স্কুলে হামলা রাশিয়ার, আটকে ৪০০ জন, জানাচ্ছে ইউক্রেন
ইতিমধ্যেই দক্ষিণ এশিয়ায় বেলাগামভাবে বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে ভারতকেও। ইতিমধ্যেই সমস্ত রাজ্যগুলিকে টেস্টিং সহ অন্যান্য কোভিড বিধিনিষেধ আরও কড়াকড়ি করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র সরকার।
মার্চের প্রথম থেকে চিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৯ হাজার পার করেছে। একাধিক জায়গায় লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। চিনের প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়াতেও আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লক্ষের কাছাকাছি। তবিবার আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৩৪,৭০৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩২৭ জনের। যা বৃহস্পতিবার ছিল ৬ লক্ষের ওপর।
হংকংয়ের অবস্থা এই মুহুর্তে আশঙ্কাজনক। কোভিড সতর্কতা মেনে চলার জন্য আরও কড়া হয়েছে প্রশাসন। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই বিধিনিষেধে শিথিলতা আনতে চলেছে হংকং প্রশাসন। এই মুহুর্তে ৭.৪ মিলিয়নের হংকংয়ে ১ মিলিয়নের বেশী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।
এশিয়াজুড়ে বেলাগাম করোনা সংক্রমণ, ভারতেও কড়াকড়ি

রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৭৬১ জন। যা গতকালের তুলনায় ১৫ শতাংশ কম। দেশে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ২৬ হাজার ২৪০। আপাতত দেশে অ্য়াকটিভ কেসের হার ০.০৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১২৭ জন।



