নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২৫ দিনের পড়ল রাশিয়ার ইউক্রেন অভিযান। একেবারে যুদ্ধবিধ্বস্ত অবস্থা গোটা দেশের। ইউক্রেন সূত্রে খবর, মারিওপোলের স্কুলে হামলা রাশিয়ার। ভয়ঙ্কর হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। আটকে রয়েছেন ৪০০ জনের অধিক। এখনও অবধি হতাহতের কোনও খবর না এলেও আটকে রয়েছেন অনেকেই।


গোটা এলাকা ঘিরে চলছে উদ্ধারকাজ। এধরনের হামলার কথা শতকের পর শতক মনে রাখবে মানুষ। জানালেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লোদিমির জেলেনিস্কি। পাল্টা রাশিয়ার তরফে বলা হচ্ছে রবিবারেও তাঁরা দক্ষিণ ইউক্রেনে হাইপারসোনিক মিসাইল ব্যবহার করবে। দক্ষিণ ইউক্রেনের একটি তেলের ভাণ্ডারে ব্যালস্টিক মিসাইল ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবী রাশিয়ার।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লোদিমির জেলেনিস্কি জানিয়েছেন। মারিওপোলের বন্দর দখল করে একেবারে নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। এধরনের সন্ত্রাসমূলক কাজের কথা শতাব্দী অবধি মএন রাখা হবে। ইউরোপের একটি সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, খাদ্য, অনুপ্রবেশকারী এবং অন্যান্য বিষয়গুলির সমস্যা খুব শীঘ্রই আরও প্রবল হয়ে উঠবে।
অন্যদিকে ইউক্রেনের আইনসভার সদস্য লেসিয়া ভ্যাসিলেঙ্কো আজোভস্তলের স্টিল প্ল্যান্ট এর জ্বলন্ত ভিডিও শেয়ার করেছেন। কালো ধোঁয়ার চাদরে ঢেকেছে নীল আকাশ। প্ল্যান্টের ডিরেক্টর জেনারেল এনভের স্কিতিশভিলি জানিয়েছেন, আমরা আবার এই শহরে ফিরব। নতুন করে গড়ে তুলব সব কিছু। তবে তিনি আশা ধরে রাখলেও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, রুশ গোলায় কার্যত ধ্বংস হয়ে গিয়েছে ওই কারখানা। আগেই ব্লাস্ট ফার্নেস বন্ধ থাকার কারণে সমস্যা কম হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।


ইতিমধ্যেই রাশিয়ার দুটি যুদ্ধ বিমানকে গুলি করে নামাল ইউক্রেন। জারি করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট। সুমি, টার্নোপিল, ওডেসা, পোলটভা এবং খারকিভ সহ ইউক্রেনের প্রায় সমস্ত অঞ্চলে সাইরেন লাগানো হয়েছে। যদিও রাশিয়ার তরফে এখনও অবধি কিছু স্বীকার করা হয়নি।
মারিওপোলের স্কুলে হামলা রাশিয়ার, বিরাট ক্ষতির মুখে ইউক্রেন
প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশের পরেই গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনের মাটিতে আক্রমণ শুরু করেছে রাশিয়া। পুতিনের দাবি, প্রেসিডেন্ট ভ্লোদিমির জেলেনিস্কির আমলে ইউক্রেনের মাটিতে ‘গণহত্যা’ রুখতেই এ হামলা। জেলেনস্কি সরকারের পিছনে ন্যাটো বাহিনীর মদত রয়েছে বলে দাবী পুতিনের।








