নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনার উৎসস্থল আমেরিকা? খেলা ঘুরিয়ে ‘হু’ কে সরাসরি ইঙ্গিত দিল চিন। ২০১৯ সালের শেষদিকে চীন থেকে মারণ করোনাভাইরাস ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়েছিল। তারপর থেকে গোটা বিশ্ব আজও আক্রান্ত এই ভাইরাসের প্রভাবে। কোটি কোটি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন ও প্রাণ হারিয়েছেন এই ভাইরাসের কারণে। পাল্টে গিয়েছে গোটা বিশ্বের জীবনযাপনের সমীকরণ। প্রথমে শোনা গিয়েছিল চীনের উহানে পশু মাংসের বাজার থেকেই গোটা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে এই মারণ ভাইরাস। তবে পরবর্তীকালে এই নিয়ে উঠে আসে নানা তথ্য।
আরও পড়ুনঃ বেশি নাক গলালে পরমাণু বোমা মেরে উড়িয়ে দেব, জাপানকে হুঁশিয়ারি চিনের


কেউ বলেন এ হল চীনের জৈব অস্ত্র। যা ইচ্ছে করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে গোটা বিশ্বে। চীনেরই বহু বিজ্ঞানী এই নিয়ে নানা তথ্য দিতে শুরু করে। এদিকে চীনকে সমর্থনের কারণে WHO এর সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করে ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন আমেরিকা প্রশাসন। তবে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পরা নিয়ে নানা তত্ত্ব বরাবর অস্বীকার করে চীন। তবে সেই উৎস খুঁজতে এবার উঠেপড়ে লাগলেন আমেরিকার নবনিযুক্ত জো বাইডেন প্রশাসন। এই ভাইরাসের উৎস খুঁজতে মার্কিন সংস্থাগুলিকে তৎপরতা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।

এই পরিস্থিতিতে মুখ খুলল চিন। করোনার উৎসস্থল আমেরিকা? খেলা ঘুরিয়ে ‘হু’ কে সরাসরি ইঙ্গিত দিল চিন। ‘হু’ এখন মনে করছে, করোনার উহান-যোগের তত্ত্ব খারিজ করে দেওয়াটা হয়তো ঠিক হয়নি। তাই দ্বিতীয়বার তারা করোনা উৎস সন্ধানে উহান যাওয়ার কথা ভাবছে। ঠিক এই প্রেক্ষিতেই আমেরিকাকে আক্রমণ করল চিন। চিনের দাবি, করোনার প্রকৃত উত্স অনুসন্ধান করতে ‘হু’-র এবার ‘ফোর্ড ডেট্রিক’ যাওয়া উচিত।
করোনার উৎসস্থল আমেরিকা? খেলা ঘুরিয়ে ‘হু’ কে সরাসরি ইঙ্গিত দিল চিন।
উল্লেখ্য, কদিন আগেই করােনা মােকাবিলায় হােয়াইট হাউসের প্রবীণ উপদেষ্টা অ্যান্ডি ফ্লাভিত বলেন, “এই গােটা ঘটনার গােড়ায় যেতে হবে। ভাইরাসটির উৎস সন্ধানে চিন থেকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সযােগিতার প্রয়ােজন। তবে এমনটা আদৌ হচ্ছে বলে আমরা মনে করি না।” একই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রধান চিকিৎসা উপদেষ্টা অ্যান্টনি ফাউচি বলেন, “আমরা মনে করি এই বিষয়ে (করােনার ভাইরাসের উৎস) তদন্ত চালিয়ে যাওয়া উচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তদন্তের পর এবার পরবর্তী পর্যায়ে যাওয়ার সময় এসেছে। কারণ ভাইরাসটির উৎস নিয়ে আমরা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত হতে পারিনি। তাই তদন্ত চালিয়ে যাওয়া জরুরি।”









