বেশি নাক গলালে পরমাণু বোমা মেরে উড়িয়ে দেব, জাপানকে হুঁশিয়ারি চিনের

বেশি নাক গলালে পরমাণু বোমা মেরে উড়িয়ে দেব, জাপানকে হুঁশিয়ারি চিনের
বেশি নাক গলালে পরমাণু বোমা মেরে উড়িয়ে দেব, জাপানকে হুঁশিয়ারি চিনের

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বেশি নাক গলালে পরমাণু বোমা মেরে উড়িয়ে দেব, এভাবেই জাপান কে হুঁশিয়ারি দিল চিন। তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে যুযুধান প্রতিপক্ষে পরিণত হয়েছে চিন-জাপান। বিতর্কের সূত্রপাত হয় সপ্তাহ দুয়েক আগে। জাপান তাইওয়ান প্রসঙ্গে কিছুদিন আগেই বলেছে, আমেরিকা ও জাপানের একসঙ্গে হাত মিলিয়ে তাইওয়ানের স্বতন্ত্রতা রক্ষা করা উচিত। এতেই ক্ষুব্ধ চিন।

আরও পড়ুনঃ প্রত্যাঘাত শুরু করল আফগান সেনা, মৃত্যু ৩০ তালিবান জঙ্গির

জাপানের উপ প্রধানমন্ত্রী তারো আসু (Taro Aso) বলেছিলেন, তাইওয়ানকে সাহায্য করবে জাপান। তাঁর দাবি, তাইওয়ানে কোনও বড় ঘটনা ঘটলে তা সরাসরি প্রভাব ফেলবে জাপানের উপর। গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাইওয়ানে চিনা হামলায় জাপানি সেনার সাহায্য করার প্রস্তাব শুনেই পিপলস আর্মি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারপরই সতর্ক করতে একটি ভিডিয়ো বার্তা দেওয়া হয়

বেশি নাক গলালে পরমাণু বোমা মেরে উড়িয়ে দেব, জাপানকে হুঁশিয়ারি চিনের
বেশি নাক গলালে পরমাণু বোমা মেরে উড়িয়ে দেব, জাপানকে হুঁশিয়ারি চিনের

Fox News এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিডিও বার্তায় জাপানের উদ্দেশ্যে বলা হয়, বেশি নাক গলালে পরমাণু বোমা মেরে উড়িয়ে দেব! চিনের কমিউনিষ্ট পার্টি CCP-এর সম্প্রতি জারি করা একটি ভিডিয়োতে বলা হয়েছে জাপান যদি তাইওয়ানকে সাহায্য করে তাহলে পরমাণু বোমায় তার জবাব দেওয়া হবে। আর যতক্ষন না জাপান আত্মসমর্পন করবে ততক্ষন চালানো হবে পরমাণু হামলা।

উল্লেখ্য, এই হুমকি ভরা ভিডিয়োটি চিনের Xigua প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করা হয়েছিল। প্রায় ২০ লক্ষ ভিউজের পর ভিডিয়োটি ডিলিট করে দেওয়া হয়। তবে ততক্ষণে এই ভিডিয়োর কপি ইউটিউব এবং টুইটারে আপলোড করা হয়ে যায়। যা নজরে পড়ে যায় সারা বিশ্বের।

বেশি নাক গলালে পরমাণু বোমা মেরে উড়িয়ে দেব, জাপানকে হুঁশিয়ারি চিনের

চিনের দাবি, তাইওয়ান তাদের অংশ। তাই এই ব্যাপারে নাক গলালে ফল ভোগ করতে হবে জাপান কে। উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক মঞ্চে পরমাণু বোমা ব্যবহার থেকে সবসময় বিরত থাকতে বলা চিনের মুখে এমন হুমকিতে বিম্মিত পুরো দুনিয়া। চিন যদি জাপানের ওপর হামলা চালায় তাহলে জাপান নিশ্চিত ভাবেই জবাব দেবে। তার ফলে দুই দেশের মিত্র শক্তিরা অংশ নিতে পারে যুদ্ধে। ফলে আশঙ্কা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here