নজরবন্দি ব্যুরো: এবারের বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা ক্রমশ সেমিফাইনালে ওঠার লড়াই থেকে পিছিয়ে যাচ্ছে। ভারত আবার এই ম্যাচ জিতলে সকলের আগে সেমিফাইনালে নিজেদের পাকা করে ফেলবে। অনেকটাই তফাত ১২ বছর আগের শ্রীলঙ্কা দলের সঙ্গে এখনকার মেন্ডিসদের। তবু ওয়াংখেড়ের মাঠে ভারত-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ মানেই ২০১১ বিশ্বকাপের ফাইনালের স্মৃতিকে একটু উসকে দেওয়া।


বস্তুত এ পর্যন্ত বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা শুরুটা ভারত করেছে এবারই। ছয় ম্যাচের সবকটিতেই জয়। শুধু জয় নয়, রীতিমতো দাপট দেখিয়ে জয়। কিন্তু এই জয়ের পরেও অধিনায়ক রোহিতের মুখে অন্য রকম কথা। তিনি বলেন, ‘আমি জানি একটা ম্যাচ ভালো না গেলেই, সবাই আমাকে বাজে অধিনায়ক বলে দেগে দেবে’। এবারের বিশ্বকাপে রোহিতের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংস করছে ক্রিকেট মহল। যেভাবে তিনি দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যেভাবে ব্যাট হাতে সতীর্থদের জন্য মঞ্চ প্রস্তুত করে দিচ্ছেন, সবটাই প্রশংসিত।

তবে এসব উচ্ছ্বসিত প্রশংসার মধ্যেও রোহিত কিন্তু মাটিতে পা রেখে চলেছেন। এই ম্যাচ খেলতে দুই দল নামবে দুটি আলাদা লক্ষ্য নিয়ে। ভারত চাইবে সেমিফাইনালে জায়গা পাকা করতে। শ্রীলঙ্কা চাইবে এই ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে। এখনও পর্যন্ত ছটি ম্যাচ খেলে শ্রীলঙ্কা পেয়েছে মাত্র ৪ পয়েন্ট। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে হেরে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে তারা। আর ভারত খেলতে নামবে টানা সাত ম্যাচ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে।


কিন্তু এই ম্যাচে ভারতের একাদশ কেমন হবে তা জানালেন রোহিত। তিনি জানান, হার্দিক পান্ডিয়ার অনুপস্থিতিতে প্রয়োজনে তিন স্পিনার এবং দুই ফাস্ট বোলারকেও খেলাতে পারে ভারতীয় দল। চলতি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত নিজেদের তিনজন স্পিনারকে নিয়ে খেলেছে টিম ইন্ডিয়া। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে নামার আগে রোহিত শর্মা বলেছেন,

‘সব ধরনের কম্বিনেশন সম্ভব। প্রয়োজনে আমরা তিনজন স্পিনার এবং দুইজন ফাস্ট বোলার নিয়েও খেলতে পারি। এই টুর্নামেন্টে আপনি নিজেই দেখতে পাবেন যে মাঝামাঝি ওভারে স্পিনাররাই রানের গতিকে সীমিত করছে। হার্দিকের অনুপস্থিতিতে আমি আমার বিকল্পগুলি খোলা রেখেছি। পরিস্থিতি যদি দাবি করে, আমরা অবশ্যই তিনজন স্পিনার নিয়ে যাব, আমাদের বোলার আছে যারা এই অবস্থার সুবিধা নিতে জানে।’
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে কেমন দল নিয়ে মাঠে নামবেন রোহিত? জানালেন নিজেই

এবার প্রশ্ন হল তাহলে কি এবারে মহম্মদ সিরাজকে বিশ্রাম দেওয়া হবে। যদি তেমনটা হয় তাহলে ভারতের একাদশে ফের পরিবর্তন দেখা যেতেই পারে। সেক্ষেত্রে হার্দিক না ফিরলেও বুমরাহ ও শামির দায়িত্বে থাকবে পেস বোলিং-এর দায়িত্ব। স্পিন আক্রমণেই মন দেবন রোহিত শর্মা।








