নজরবন্দি ব্যুরোঃ শনিবার মাড়্গ্রামে বোমার আঘাতে জোড়া মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রমাগত প্রশ্ন জট পাকাতে শুরু করেছে। কী কারণে উত্তপ্ত হয়েছিল মারগ্রাম? একাধিক প্রশ্ন মাথাচাড়া দিচ্ছে ক্রমাগত। তৃণমূল বনাম তৃণমূলের দ্বন্দ্বের কারণেই এই ঘটনা? নাকি, বারবার দলবদলু সুজাউদ্দিনের সঙ্গে মতপার্থক্য হতেই এই ঘটনা ঘটেছিল? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।
আরও পড়ুনঃ Exide Fire: ভয়াবহ অগ্নিকান্ড শহর কলকাতায়, ঘটনাস্থলে দমকলের ছয়টি ইঞ্জিন


স্থানীয় সূত্রে খবর, গোটা লড়াইটাই হয়েছে তৃণমূল এবং বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের মধ্যে। একাধিকবার দলবদল করলেও খাতায় কলমে অভিযুক্ত সুজাউদ্দিন এখনও তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ২০২৮ সালে সুজাউদ্দিন জিতলেও তাঁকে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান করা হয়নি। তাই প্রথমে বিজেপিতে ও পরে কংগ্রেসে যোগদান করে সে। ২০২১ সালে মিল্টন রশিদের পরাজয়ের পর অনেকেই তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন। কিন্তু সুজাউদ্দিন যান কংগ্রেসে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকা দখল এবং টাকার ভাগ বাটোয়ারাকে কেন্দ্র করেই এই এলাকায় দ্বন্দ্ব লেগেই থাকত। রাজ্যজুড়ে পঞ্চায়েতে যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, সেই বিতর্কের বাইরে নেই মাড়গ্রাম। জানা গেছে, প্রধান অভিযুক্ত সুজাউদ্দিন আহমেদ ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মাড়গ্রাম ১ নম্বর পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন। আগে কংগ্রেস করলেও, তিনি প্রধান হন তৃণমূলের টিকিটে জিতে। ২০১৮ সালেও তৃণমূল প্রতীকে জিতে পঞ্চায়েত সদস্য হন। কিন্তু প্রধান না হতে পেরেই ক্ষোভ?
বারবার দলবদলু সুজাউদ্দিনের সঙ্গে মতপার্থক্য, নতুন করে আতঙ্কে মাড়গ্রাম

ঘটিনায় মৃত্যু হয়েছে প্রধানের ভাই লাল্টু শেখের। এছাড়াও সেদিনের ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছিলেন নিউটন শেখ। হাসপাতালে আসার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। অর্থাৎ, ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২। এখন আহত একজনের চিকিৎসা চলছে এসএসকেএম হাসপাতালে। ঘটনার জন্য বিরোধীদের বিরুদ্ধে আঙুল তুলেছে তৃণমূল।









