নজরবন্দি ব্যুরোঃ ক্রমশই শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণঝড় জাওয়াদ (Jawad Cyclone)। শুক্রবার এটি আরও শক্তিশালী সাইক্লোনের আকার নেবে। শনিবার ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়লেও তার যথেষ্ট প্রভাব বাংলাতেও পড়বে। ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে জাওয়াদের। শনিবার থেকে পশ্চিমবঙ্গেও (West Bengal) এর প্রভাব চোখে পড়বে। কলকাতা সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ জুড়েই প্রবল দুর্যোগের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
আরও পড়ুনঃ চোখ রাঙাচ্ছে ঘূর্ণিঝড়, আজ থেকে কোন কোন জেলায় শুরু হছে ভারী বৃষ্টি?


মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সাইক্লোনের জেরে বৃষ্টির সম্ভাবনাকে সামনে রেখে নসর্তকতা এবং অ্যাডভাইজারি কৃষি দফতরের। প্রভাবিত হতে পারে এমন জেলার জেলাশাসকদের অ্যাডভাইজারি পাঠানো হয়েছে। জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হুগলি, নদিয়া, হাওড়া, মুর্শিদাবাদ, মালদা – এই জেলাগুলিতে সর্তকতা জারি করা হয়েছে।
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়। ১০ জেলার কৃষকদের কথা মাথায় রেখে একটি অ্যাডভাইজরি জারি করেছে নবান্ন। আলু বোনার কাজ এক সপ্তাহ পিছিয়ে দিতে হবে। পাকা ধান অবিলম্বে কেটে ফেলতে হবে। তৈলবীজ ও আলুর খেতে জল জমলে নিকাশি ব্যবস্থা উন্নত রাখতে হবে। দ্রুত যাতে জমা জল বেরিয়ে যায়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। পানের বরজ, পেপে, কলা বাগানে কী কী করণীয়, সেক্ষেত্রেও একটি অ্যাডভাইজরি জারি করা হয়েছে। জেলাশাসক ও আধিকারিকদের সতর্ক থাকতে বলেছে নবান্ন।
নির্দেশগুলি হল- মাঠের পাকা ধান দ্রুত কেটে, ঝেড়ে, সংরক্ষণ করতে হবে। সবজি, তৈলবীজ, সরিষা কিংবা আলুর জমিতে জমা জল দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে। আলু বোনার কাজ সাত দিন পিছিয়ে দিতে হবে। সবজি ও অনান্য ফল খেত বিশেষত পেঁপে, কলা জাতীয় ফসল, যেগুলোর ঝড়ে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলিকে রক্ষা করতে হবে। সবজির মাচা ও পানের বরজকে শক্ত করে বাঁধনের ব্যবস্থা করতে হবে।


ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ, সমস্যায় পড়েছেন কৃষকেরা

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা। অগ্রহায়ণেও বড় দুর্যোগের মুখে বাংলা। শনিবার ও রবিবার একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা। উপকূলে বইতে পারে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া। সবমিলিয়ে, সপ্তাহান্তে ফের ভাসতে চলেছে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ। ঝুঁকি এড়াতে শুক্রবার থেকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্র যেতে নিষেধ করা হয়েছে।







