নজরবন্দি ব্যুরোঃ নভেম্বর প্রায় শেষ দুদিন পরেই শুরু হবে ডিসেম্বর মাস। তবুও দেখা নেই ঠাণ্ডার। শীত আসবে কবে? এই রকমই প্রশ্ন এখন গোটা রাজ্যবাসীর। রাতের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে নামলেও, স্বাভাবিকের নীচে নামবে কবে? তবে হালকা হলেও রাজ্যে শীতের আমেজ অনুভূত হতে শুরু করেছে। সকালের দিকে ইতিমধ্যে পড়তে শুরু করেছে কুয়াশা।
আর পড়ুনঃ বাগানে কৃষ্ণলীলা, শেষ তিন ডার্বিতেই গোল করে ইতিহাস গড়লেন রয় কৃষ্ণ!
বছরের প্রথম থেকেই শুরু হয়েছিল ঘ্যান-ঘ্যানে বৃষ্টি। পুজো শেষ হয়ে গেলেও সেই বৃষ্টির থেকে মেলেনি মুক্তি। একের পর এক ঘনীভূত নিম্নচাপ বঙ্গবাসীর শীতের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। যদিও নিম্নচাপের থেকে এখনই নিস্তার নেই বঙ্গবাসীর তেমনটাই পূর্বাভাস আবহাওয়া অফিসের। এদিকে, ধীরে ধীরে নিম্নমুখী হতে শুরু করেছে তাপমাত্রার পারদ। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। সকালের দিকটা একটু হিমেল হাওয়া থাকলেও বেলায় উষ্ণ আবহাওয়ায়ই থাকবে।
কলকাতার আকাশ প্রধানত পরিষ্কার থাকবে। রাতের তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকার সম্ভাবনা। বাতাসের আপেক্ষিক আদ্রর্তার পরিমাণ ৯৩ শতাংশ। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। এভাবেই আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা নিম্নমুখী হবে বলে পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের।
ইতিমধ্যে নিম্নচাপকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। যদিও এখনও বেশ কিছুদিন বাকি। ২৯ নভেম্বর অর্থাৎ আগামীকাল একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে আন্দামান সাগরে। উত্তর ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগোবে বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। সরাসরি তামিলনাড়ু উপকূলে হয়তো যাবে না। সেক্ষেত্রে অন্ধ্র কোস্ট ও মায়ানমার কোস্টের মাঝামাঝি জায়গায় নিম্নচাপ সরে আসবে। দফায় দফায় শক্তি বাড়াবে। ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনাও রয়েছে।
যদি সেরকম হয়, তাহলে বাংলায় তার সরাসরি প্রভাব পড়বে না। তবে ঠাণ্ডার পথে বাধা হবে। ঘূর্ণিঝড় হলে মত্স্যজীবীরে জন্যও সতর্কবার্তা জারি হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টা থাকবে শুষ্ক আবহাওয়া। পার্বত্য এলাকায় হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকলেও কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। জলীয় বাষ্পের দাপটে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। মেঘের দখলে আকাশ।
ফের ঘোট বাঁধছে নিম্নচাপ, কি বলছেন আবহাওয়াবিদরা?

তবে শীতবিলাসীদের জাঁকিয়ে শীত অনুভব করার জন্য এখনও বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করতে হলেও আগামী দিন-দুয়েক থেকেই পারদ পতন অব্যাহত থাকবে শহরের। মনে করা হচ্ছে চলতি মাসের শেষেই ১৮ ডিগ্রির নিচে নামতে পারে শহরের তাপমাত্রা।



