নজরবন্দি ব্যুরো: কোনও কোনও রাজ্যে রোদের দাপট! আবারও কোনও রাজ্যে অতিভারী বৃষ্টির আশঙ্কা! এই সবের জন্যই দায়ী ঘূর্ণিঝড় মোচা। এমনটাই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদ। শুরু তাই নয়, এই মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড় নিয়ে বড়সড় আপডেট দিল আবহাওয়া দফরত। জানিয়ে দিল, এই ঘূর্ণিঝড় কতটা প্রভাব ফেলতে পারে বাংলা ও ওড়িশাতে!
আরও পড়ুন: DA Protest: খাদ্য ভবন অচল করার পরিকল্পনা! কি বার্তা দিল ডিএ আন্দোলনকারীরা?
প্রসঙ্গত, মে মাসের ৬ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে এই ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপরে এই ঘূর্ণাবর্ত ৮ থেকে ৯ তারিখের মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হবে। যা পরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এরপরে ওই গভীর নিম্নচাপ ১০ থেকে ১২ মে-এর মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। আর এই ঘূর্ণিঝড় চলতি মাসের ১৪-১৭ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ-এর চট্টগ্রাম থেকে মায়ানমারের রাখাইন কুলের মাঝামাঝি কোনও একটা স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে। আর সেই সময় ওই ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিমি. থাকার সম্ভাবনা আছে।

ইতিমধ্যেই এই ঘূর্ণিঝড়ের আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে আগামী কাল অর্থাৎ রবিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত আন্দামান এবং নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। পাশাপাশি হাওয়া অফিস আরও জানাচ্ছে যে, আন্দামান এবং নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গেই এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়বে বাংলা ও ওড়িশাতেও। এছাড়াও বঙ্গোপসাগরের উপরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির ফলে কেরল ও মহারাষ্ট্রে বৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় কোমর বেঁধে প্রস্তুতি নিচ্ছে নবান্ন। পাশাপাশি মে মাসের শুরু থেকেই চালু হচ্ছে কন্ট্রোল রুম। নবান্ন সভাঘরে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সঙ্গে একটি জরুরি বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। পাশাপাশি রাজ্যের সব জায়গায় বিপজ্জনক নদী বাঁধগুলির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার।
কতটা দাপট দেখাবে ঘূর্ণিঝড়, নতুন আপডেট দিল আবহাওয়াবিদরা




