নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভাইফোঁটার পর হতে চলেছে বিরোধীদের বহু প্রতীক্ষিত পুরসভা নির্বাচন। কোভিড পরিস্থিতির কারনে প্রায় ১০০ টি পুরসভার ভোট হয়নি রাজ্যে। কলকাতা, শিলিগুড়ির মত কর্পোরেশন এলাকা ছাড়াও বিভিন্ন পুরসভার কাজ চলছে প্রশাসক নিয়োগ করে। এই পরিস্থিতি বদলাতে চলেছে শীঘ্রই। এখন রাজ্যে উপনির্বাচনের আবহ, চলতি মাসের ৩০ তারিখ ভোট গ্রহণের পর ভোট গণনা ২ নভেম্বর। তারপর ৬ তারিখে ভাইফোঁটা। আর ভাইফোঁটার পরেই পুরসভা নির্বাচন।
আরও পড়ুনঃ স্বস্তি দিয়ে সরছে নিম্নচাপ, ঢুকছে উত্তরে হাওয়া, সপ্তাহান্তেই শীতের শুরু বাংলায়।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে পুরসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই সব কটি পুরসভায় ভোট মিটিয়ে নিতে চায় কমিশন। এই প্রসঙ্গে বলা যায় কিছুদিন আগেই একই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। মুখ্যমন্ত্রী বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, উপনির্বাচন মিটলেই রাজ্যে পুরসভার ভোট হবে। এখন সেই পথেই হাঁটতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।

কমিশন সূত্রে খবর, সর্বাগ্রে কলকাতা – হাওড়া – বিধাননগর পুরসভার নির্বাচন হবে। যার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। সব মিলিয়ে রাজ্যের পুরসভা গুলিকে এলাকা ভিত্তিক ভাগ করে ২ টি বা ৩ টি পর্যায়ে নির্বাচনের কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে খবর। এই মুহুর্তে রাজ্যের ১৩৪ টি পুরসভার কাজ চালাচ্ছেন রাজ্য সরকার নিযুক্ত প্রশাসকরা।
ভাইফোঁটার পরেই পুরসভা নির্বাচন, শুরুতেই ভোট হাওড়া-কলকাতা-বিধাননগরে।

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন শেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একদিকে যখন বার বার উপনির্বাচনের দাবি জানাচ্ছিলেন তখন অন্যদিকে পুরসভা নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছিল বিরোধীরা। এখন হতে চলেছে বিরোধীদের সেই বহু প্রতীক্ষিত পুরভোট। এখন দেখার পুরনির্বাচনে তৃণমূলের একছত্র দাপট বজায় থাকে নাকি দাপট দেখায় বিরোধীরা।



