নজরবন্দি ব্যুরো: দুর্গাপুজোর পরে লক্ষ্মী পুজোতেও বৃষ্টি থেকে ছাড় পায়নি বাংলা। পুজোর পরেই জোড়া নিম্নচাপের জেরে গত রবিবার থেকে রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয়েছে বৃষ্টি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক। তাঁর ওপরে গত ৪৮ ঘন্টার বৃষ্টি তছনছ করে দিয়েছে জনজীবন। এদিকে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস ছিল ২১ তারিখ পর্যন্ত চলবে বৃষ্টি। আর সেই পূর্বাভাস নিয়েই সিঁদুরে মেঘ দেখছিল বাঙালি। কম্পিত হৃদয়ে অপেক্ষা করছিল আকাশ ভাঙা বৃষ্টির। কিন্তু সেই ভয় কাটিয়ে দিল হাওয়া অফিস। জানা গেল, স্বস্তি দিয়ে সরছে নিম্নচাপ, ঢুকছে উত্তরে হাওয়া।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ঊর্ধ্বমুখী কোভিডের পজিটিভিটি রেট, ১০০ টি স্যাম্পেল পিছু আক্রান্ত ৩ জন!
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “নিম্নচাপ বিহারের দিকে সরে যাওয়ায় উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে শুরু করবে রাজ্যে। যার ফলে আগামী শুক্রবার থেকে কলকাতা সহ রাজ্যের তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে। তাপমাত্রা কমবে ২-৩ ডিগ্রি পর্যন্ত। যার ফলে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। সেই সঙ্গে উত্তুরে হাওয়া ঢোকায় শীতের আমেজ অনুভূত হবে।”

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুধু কলকাতা নয়, দক্ষিণ বঙ্গের জেলাগুলিতেও ঢুকে পড়বে শীত। জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কলকাতার থেকে আরও কিছুটা কমে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকবে। আকাশে মেঘ থাকবে না, ফলে রৌদ্রজ্জ্বল পরিষ্কার আবহাওয়া থাকার ফলে বিকেলের পর থেকে তাপ বিকিরণের পরিমাণ বাড়বে। যার ফলে সন্ধে নামলেই তাপমাত্রা কমবে অনেকটাই।
স্বস্তি দিয়ে সরছে নিম্নচাপ, ঢুকছে উত্তরে হাওয়া, সপ্তাহান্তেই শীতের শুরু বাংলায়।

যদিও এই শীত কে ঠিক শীতকাল আখ্যা দিচ্ছেন না আবহাওয়াবিদরা। তাঁদের কথায়, শীতের ভাব অনুভূত হলেও শীত পড়তে এখনও বাকি রয়েছে। তাই এই আবহাওয়াকে প্রাক-শীত আখ্যা দিয়েছেন তাঁরা। তবে এই কম্থে থাকা তাপমাত্রা আর বাড়ার তেমন সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ফলে লক্ষীপুজোর সপ্তাহান্তেই শীত পড়তে চলেছে রাজ্যে একথা বলাই চলে।



