আগামী সপ্তাহে রাজ্য বিধানসভায় বাজেট পেশ করতে চলেছে তৃণমূল সরকার। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে শেষ বাজেট। মাসের প্রথম দিনেই কেন্দ্রীয় সরকার অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করেছে, কিন্তু তা মধ্যবিত্তের মুখের হাসি চওড়া করতে পারেনি। বঙ্গবাসীর আশা এবার রাজ্যের দিকে। রাজনৈতিক মহলের মতে, আসন্ন বাজেটে (WB State Budget 2023) নারী ক্ষমতায়নের উপর জোর দেবে সরকার।

আরও পড়ুন: লোকসভার আগে মাস্টারস্ট্রোক মমতার, ২১ লক্ষ শ্রমিকের বকেয়া মজুরি মেটাবে রাজ্য
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মহিলাদের স্বনির্ভর করতে একাধিক প্রকল্প চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘স্বাস্থ্য সাথী’, ‘কন্যাশ্রী’ (Kanyshree), ‘রূপশ্রী’, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’, ‘বিধবা ভাতা’র মত প্রকল্প চালু রয়েছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মহিলাদের জন্য মাসিক ভাতা হিসেবে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মমতা (Mamata Banerjee)। তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসে প্রতিশ্রুতি রাখেন। এই প্রকল্পের অধীনে ২৫-৬০ বছর বয়সের মধ্যে তপসিলি জাতি-উপজাতির উপভোক্তারা এক হাজার টাকা এবং অন্যান্যরা মাসে ৫০০ টাকা করে পান। ৬০ বছর পেরিয়ে গেলে মেলে ‘বার্ধক্য ভাতা’। গতবারের মত এবারও রাজ্য বাজেটে (WB State Budget 2023) ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হতে পারে।

বাংলার দুঃস্থ পরিবারের মেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ করিয়ে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। এর প্রতিরোধ করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্প চালু করেন। ১৮ বছর পেরিয়ে গেলে শিক্ষার্থীরা ২৫ হাজার টাকা করে পাবেন। পরবর্তীকালে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার খরচ দেওয়া হয়। রিপোর্ট থেকে জানা যায়, ‘কন্যাশ্রী’ চালু হওয়ার পর স্কুলছুট ছাত্রীর সংখ্যা অনেকাংশে কমেছে।
মহিলাদের ক্ষমতায়নে বিশেষ ভাবনা মমতার! রাজ্য বাজেটে গুরুত্ব পাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার

মেয়েদের বিয়ের ক্ষেত্রেও যাতে অসুবিধা না হয় তার জন্য চালু রয়েছে ‘রূপশ্রী‘ প্রকল্প। নিয়ম অনুযায়ী, বিয়ের ৬০ দিন আগে টাকা পাওয়ার জন্য আবেদন করতে হয়। কিছু শর্ত আছে, যেমন- প্রথমবার বিয়ে করলেই এই টাকা পাওয়া যাবে। কেবল রেজিস্ট্রি করলে হবে না। অনুষ্ঠান করে বিয়ে করতে হবে। এই প্রকল্পগুলির বরাদ্দ বাড়ানো হয় কি না সেদিকেও নজর থাকবে।








