নজরবন্দি ব্যুরো: চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার থেকে যে বৃষ্টি শুরু হয়েছে তা বুধবার সারাদিন তাণ্ডব চালিয়েছে। এই টানা বৃষ্টিতে নাজেহাল অবস্থা কলকাতা সহ শহরতলীর মানুষদের। প্রবল বৃষ্টিতে রীতিমত জলমগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকা। জলে ডুবে রয়েছে কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণ। উত্তরের কাশীপুর, ঠনঠনিয়া, আমহার্স্ট স্ট্রিট, এম জি রোড, চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ থেকে শুরু করে দক্ষিণের ঢাকুরিয়া, খিদিরপুর ও বেহালার বিভিন্ন রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: Sikkim Flood Situation: বানভাসি সিকিমে এখনও খোঁজ নেই শতাধিকের, চলছে উদ্ধারকার্য, মৃত ১২
এদিকে, কলকাতা সহ শহরতলীর বিভিন্ন এলাকায় জল জমে তীব্র যানজটের ফলে যাত্রী দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা। জানা গিয়েছে, ভোররাত থেকেই জল জমে রয়েছে আর এন মুখার্জি রোড, মহাত্মা গান্ধী রোড সংলগ্ন ইস্টার্ন রোড এবং বিবাদী বাগের বেশ কিছু অংশে। টানা বর্ষণের জন্য মহাত্মা গান্ধী রোড এবং রবীন্দ্র সরণীর একাংশ জলের নীচে রয়েছে। এছাড়াও আর্মহার্স্ট স্ট্রিট এবং কেশবচন্দ্র স্ট্রিটেরও বেশ কিছু এলাকা জলমগ্ন থাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে, বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপের ফলে আরও কয়েক দিন দুর্যোগ চলবে বাংলায়। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা, হাওড়া এবং নদিয়া জেলায়। এছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতেও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। এছাড়াও আজ, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সারাদিন ধরেই মেঘলা আকাশ থাকবে। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে।

কলকাতা জলমগ্ন হয়ে পরার প্রসঙ্গে দিল্লি থেকে মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছিলেন যে, বৌবাজার, এ জে সি বসু রোড আর বেহালায় জল জমে রয়েছে। অন্য সব জায়গায় জল বার করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সমস্ত পাম্পিং স্টেশন কাজ করছে। ঠনঠনিয়ায় তেমন জল জমেনি। আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে, তাই সকলকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়াও উত্তরবঙ্গের অবস্থা খুব খারাপ। আর যদি ডিভিসি আবার জল ছাড়া হয় তো দক্ষিণবঙ্গের অবস্থাও খারাপ হবে।
প্রবল বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতার উত্তর-দক্ষিণ, ভোগান্তিতে নিত্যযাত্রীরা




