নজরবন্দি ব্যুরোঃ রোজের ব্যস্ততার মধ্যে নিজেকে ফিট রাখতে চান? ব্যস্ত জীবনে নিজেকে ফিট ও সুস্থ রাখা চ্যালেঞ্জই বটে। বিশেষত মহিলাদের যে কোনও পরিস্থিতিতে একই সঙ্গে কাজ, পরিবার এবং স্বাস্থ্যের মধ্যে সঠিক ভারসাম্য রেখে চলতে হয়। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্ন ওঠে যে এমন কোনও আছে কিছু কি মহিলাদের ফিটনেস ধরে রাখার জন্য আদর্শ? মধুর গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না। মধুর আশ্চার্য ঔষধি গুনের কারনে প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান অবধি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
আরও পড়ুনঃ শুধু শীত নয়, এই কাঠফাটা গরমেও গ্লিসারিনের ফেসপ্যাকে চমকাবে আপনার ত্বক, বাড়বে জেল্লা



মহিলাদের ঋতুস্রাবের সময়ে হরমোনের পরিবর্তন, ব্যথা, উদ্বেগ, বিষণ্ণতা এবং দুর্বলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু আগে মহিলারা এত বলিষ্ঠ ছিলেন কীভাবে? মধু হল সেই প্রাচীন জাদু উপাদান যা তাঁদের ফিট, শান্ত এবং সুস্থ থাকতে সাহায্য করে এসেছে। এই ‘তরল সোনা’ মহিলাদের জন্য যেন সব দিক থেকেই আশীর্বাদ এবং প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অবশ্যই এটি রাখা উচিত।

মধু তরল সোনা মধুতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং খনিজ রয়েছে, তাই মধু তরল সোনা হিসাবেও পরিচিত। কারণ এটির পুষ্টিগুণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। মধু ন্যাচারাল ল্যাক্সেটিভ হিসাবে কাজ করে, মেটাবলিজম বাড়ায়, স্মৃতি উন্নত করে, মরসুমি ফ্লু, অ্যালার্জি, জ্বর, ঠান্ডা, গলা ব্যথা ইত্যাদির সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে এবং এটির অ্যান্টি-কার্সিনোজেনিক উপাদান রয়েছে যা বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। একই সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক এবং অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকার জন্যে, এটি শরীরকে দ্রুত সুস্থ করে তোলে।


ব্যথা কমায় মহিলারা ঋতুস্রাবে কিংবা তার আগে গা-হাত-পায়ে ব্যথা, পিঠে ব্যথা কিংবা মাথা ব্যথার মতো সমস্যায় ভোগেন, সেক্ষেত্রে ঈষৎ উষ্ণ জলে কিংবা অল্প পরিমাণ আদার সঙ্গে কিংবা আদা চায়ে ১ টেবিল চামচ মধু খেলে ব্যথা কমে এবং শরীরে প্রদাহ কমে যায়।
হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে মহিলাদের প্রায়ই হরমোন নিঃসরণ সংক্রান্ত সমস্যায় পড়তে হয়, হয় যা মূলত টেস্টোস্টেরনের মাত্রার ভারসাম্যহীনতার ফলাফল বলা হয়। এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন চলতে থাকলে তা মহিলাদের প্রজননে প্রভাব ফেলে। এক্ষেত্রে নিয়মিত মধু খেলে টেস্টোটেরনের মাত্রায় ভারসাম্য আসে যা প্রজনন ক্ষমতা বাড়ায়, মুড স্যুইং কমায় এবং শরীরকে ভালো রাখে।
রোজের ব্যস্ততার মধ্যে নিজেকে ফিট রাখতে চান? তাহলে ডায়েটে রাখুন মধু, কিন্তু কিভাবে?

ত্বকের বার্ধক্য কমায় ব্যথা কমানো এবং ইমিউনিটি বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মধুর ব্যবহারে বয়সের ছাপ কম পড়ে, সূক্ষ্ম রেখা কিংবা বলিরেখা কম হয়। সেক্ষেত্রে মর্নিং ড্রিঙ্কে কিংবা চায়ে মধু দিয়ে খেলে সবচেয়ে ভালো কাজ হয়। ত্বকের জেল্লার জন্য বেসন, দই ও মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগালেও উপকার পাওয়া যায়।








