নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে দিতে হবে পুলিশি নিরাপত্তা, জানিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বিচারপতি জানান, “আপনারা আন্দোলন করতেই পারেন। কিন্তু উপাচার্যকে ঘেরাও করে রাখতে পারেন না।” শান্তিনিকেতন থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে থেকে সমস্ত ব্যানার-পোস্টার খুলে ফেলার।
আরও পড়ুনঃ করোনার তৃতীয় ঢেউ থেকে শিশুদের বাঁচাতে মরিয়া রাজ্য, প্রস্তুতি তুঙ্গে
পাশাপাশি, আদালত জানিয়েছে উপাচার্যও ৫০ মিটারের মধ্যে যাতে কেউ না আসে তা সুনিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনিক ভাবেই। এবিষয়ে বিচারপতি রাজশেখর মান্থা জানিয়েছেন, “ধরে নিচ্ছি উপাচার্য কোনও ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার জন্য আইনি ব্যবস্থা রয়েছে। আপনারা আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারেন না।” তার পরই বিচারপতি মান্থা বলেন, “আপনারা ট্রেড ইউনিয়ন নয় যে, ঘেরাও করে দাবি জানাবেন। আপনারা তো ছাত্র সংগঠন!”
বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে দিতে হবে পুলিশি নিরাপত্তা, স্পষ্ট জানালো হাইকোর্ট।

বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে দিতে হবে পুলিশি নিরাপত্তা, বিচারপতির আরও নির্দেশ দিয়েছেন, অবিলম্বে বিশ্বভারতীর কাজকর্ম স্বাভাবিক ছন্দে ফেরাতে হবে। ৫০ মিটার দূরত্ব রেখে পড়ুয়ারা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে পারবেন। তবে চলবে না উচ্চস্বরে স্লোগান দেওয়া। বহিরাগতদের প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হবে। পুলিশকে ক্যাম্পাসের সমস্ত সিসিটিভি চালু করতে হবে। উপাচার্য থেকে পড়ুয়া সমস্ত পক্ষকে উস্কানিমূলক মন্তব্য করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। উপাচার্যের নিরাপত্তার জন্য তিন জন পুলিশ কনস্টেবল মোতায়েন করতে হবে। তবে এরপরও ছাত্র আন্দোলন জোরাল হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।



