নজরবন্দি ব্যুরোঃ লকডাউনে ছাড় জরুরি পরিষেবায়, একাধিক ডুজ আর ডোন্ট নিয়েই আগামী কাল থেকে ১৫ দিনের জন্য বাংলায় চলবে কড়া লকডাউন। গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যে আংশিক লকডাউন চলার পরেও পরিস্থিতিতে লাগাম পড়েনি সেভাবে। চিকিৎসকমহল থেকে বিশেষজ্ঞ মহল, সবদিক থেকেই বারবার বলা হচ্ছিলো, পরিস্থিতি সামলাতে এবং সংক্রমণ ঠেকাতে এই মূহুর্তে একমাত্র উপায় পূর্ণ লকডাউন।
আরও পড়ুনঃ কোভিডে কালোবাজারি! মাস্ক-স্যানিটাইজার থেকে অক্সিমিটার, দাম বেঁধে দিলেন বিজয়ন
করোনা মোকাবিলায় একাধিক বৈঠকের পর আজ রাজ্যের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে আগামী ১৫ দিনের লকডাউনের কথা। রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় আজ কী কী করণীয় এবং কী কী করণীয় নয় তার এক তালিকা দিয়েছেন। তাতে বলা আছে আগামী ১৫ দিন জরুরি পরিষেবা ছাড়া বন্ধ থাকবে পরিবহন ব্যবস্থা।
কিন্তু করোনার ভয়াবহতায় দেশ জুড়ে টিকাকরণ জারি থাকায় সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন উঠেছিলো আগেই রাজ্যে বন্ধ লোকাল ট্রেন, এর মধ্যে বাস-মেট্রো সব বন্ধ থাকায় কিভাবে সম্ভব টিকাকরণ। সেক্ষেত্রে জানানো হয়েছে জরুরি পরিষেবার মধ্যে পড়ায় এই পরিষেবার জন্য অটো বা ট্যাক্সি ব্যাবহার করা যেতে পারে। তাছাড়া নিজেদের দায়িত্বে টিকাকরন কেন্দ্রে গিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে টিকা নিতে পারবেন সকলে। সকলকে মাস্ক এবং স্যানিটাইজারের আবশ্যিক ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।
লকডাউনে ছাড় জরুরি পরিষেবায়, আজকের রাজ্য জুড়ে আগামী ১৫ দিনের লকডাউনের ঘোষণার পর সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে চিকিৎসক মহল। তাঁদের ধারণা আগামি দু-সপ্তাহ কড়া ভাবে নিয়ম কানুন মানলে কমবে রাজ্যের সংক্রমণের হার। আর তাতেই সামাল দেওয়া যাবে পরিস্থিতি। রাজ্যের সম্পূর্ণ লকডাউনের পর চিকিৎসকমহল সামান্য স্বস্তি খুঁজে পেয়েছেন। তাঁদের মতে আংশিক লকডাউনেও বাড়ছিলো করোনার সংক্রমণ, তার মধ্যেই দেশ জুড়ে আকাল ভ্যাকসিনের।
রাজ্যে রাজ্যে স্বাস্থ্য কর্মীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেও বাঁচাতে পারছেন না সকলকে। এই মুহুর্তে সংক্রমণ কম করার জন্য লকডাউন একমাত্র উপায়। এতে আগামী ২ সপ্তাহে সংক্রমণের গ্রাফ বেশ খানিকটা কমবে বলেও মনে করছেন তাঁরা। সেই সঙ্গে রাজ্যের চিকিৎসকমহলের একাংশ বলছেন, এই লকডাউন করতেই হত, পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে গোটা দেশ জুড়েই লকডাউন শুরু করা উচিত।



