নজরবন্দি ব্যুরোঃ নতুন বছরের শুরু থেকেই ইউক্রেন সীমান্তে সৈন্য বাড়াতে শুরু করেছিল মস্কো। যত সময় এগিয়েছে ততই তিক্ত থেকে তিক্ততর হয়েছে দুই দেশের সম্পর্ক। অনেকেই মনে করেছিল যুদ্ধ এবার সময়ের অপেক্ষা। অবশেষে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বেজে ওঠে কৃষ্ণসাগরে রনডঙ্কা। যত সময় এগিয়েছে মুহুর্মুহু বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠেছে গোটা ইউক্রেন। রুশদের দখলে চলে গিয়েছে চেরনোবিল পারমানবিক কেন্দ্র। সেই নিয়েই এবার বিশেষ যুক্তি পেশ করল পুতিন সরকার।
আরও পড়ুনঃ R Ashwin: কপিলের ৪৩৪ টেস্ট উইকেটের কীর্তিতে থাবা বসালেন অশ্বিন।


উল্লেখ্য, গত ১৯৮৬ সালের এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন জামানায় ভয়াবহ দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয় চেরনোবিল শহর। যা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা বিশ্ববাসী কে। প্রত্যক্ষ ভাবে ৩১ জন সে সময় প্রাণ হারালেও তেজস্ক্রিয়তার কবলে পড়েছিল লাখো লাখো মানুষ। নিমেষের মধ্যে জনশূন্য হয়ে গিয়েছিল এই চেরনোবিল। এবার যুদ্ধের মাধ্যমে ইউক্রেন সরকারের থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে রুশ সেনা।
এবার রুশ সংবাদমাধ্যমের তরফে প্রকাশিত হয় চাঞ্চল্যকর তথ্য। তাদের দাবি, সকলকে আড়ালে রেখে তৈরি করা হচ্ছিল পারমানবিক অস্ত্র। সেখানে ডার্টি বম্ব বানাচ্ছিল ইউক্রেন। যা রীতিমতো শোরগোল ফেলে দেয় গোটা বিশ্বে। তুমুল আলোচনা শুরু হয় আন্তর্জাতিক মহলে। তবে গোটা বিষয়টি অস্বীকার করেছে ইউক্রেন।
ইউক্রেন সরকারের তরফে বলা হয়, গত ১৯৯৪ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পরই পারমানবিক অস্ত্র ত্যাগ করেছিল ইউক্রেন। এরপর থেকে আর সেদিকে নজর দেওয়া হয়নি তাদের তরফে। তবে রাশিয়ার দাবি সম্পর্কে বলা হয়, এই নিয়ে কোনও উপযুক্ত প্রমান নেই পুতিন সরকারের কাছে। গোটা বিষয়টি ইউক্রেনের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চক্রান্ত।


ডার্টি বম্ব বানাচ্ছিল ইউক্রেন! অভিযোগ অস্বীকার কিয়েভ সরকারের

কিন্তু কি এই ডার্টি বম্ব? বিশেষজ্ঞদের অনুমান, প্লুটোনিয়ামের পাশাপাশি আরও বেশকিছু তেজস্ক্রিয় দ্রব্য দিয়ে তৈরি করা হয় এই ভয়াবহ অস্ত্র। যার বিস্ফোরণে এক পলকে মৃত্যুপুরীতে বদলে যেতে পারে গোটা এলাকা। সেইসঙ্গে বিস্ফোরনস্থল থেকে বিস্তীর্ণ এলাকায় থেকে যেতে পারে তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব। যা ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে পারে সুস্থ মানুষকে।







