ব্রিটেন থেকে ফিরলেই বাধ্যতামূলক কোয়ারেনটাইন, নয়া নিয়ম নিয়ে ক্ষোভ যাত্রীদের মধ্যে।

ব্রিটেন থেকে ফিরলেই বাধ্যতামূলক কোয়ারেনটাইন, নয়া নিয়ম নিয়ে ক্ষোভ যাত্রীদের মধ্যে।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ব্রিটেন থেকে ফিরলেই বাধ্যতামূলক কোয়ারেনটাইন, নয়া নিয়ম নিয়ে ক্ষোভ যাত্রীদের মধ্যে। নয়া নিয়মের কবলে ব্রিটেন ফেরত যাত্রীরা। বিপাকে পরে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তারা। ব্রিটেনে করোনার নতুন প্রকার পাওয়া গেছে যা আগের তুলনায় ৭০ শতাংশ বেশি সংক্রমণশালী। যার জেরে ব্রিটেনে ফের চালু হয়েছে জাতীয় লকডাউন। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বিমান পরিসেবা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে ইংল্যান্ডের।

আরও পড়ুনঃফের নক্ষত্রপতন, প্রয়াত গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, শোকপ্রকাশ মোদীর

টানা ১৬ দিন বন্ধ থাকার পর ফের গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার থেকে চালু হয়েছে ভারত ব্রিটেন বিমান পরিসেবা। আর বিমান ফেরত যাত্রীরা দিল্লী বিমানবন্দরে নেমেই জানতে পারেন ব্রিটেন ফেরত যাত্রীদের জন্য নতুন কোয়ারেনটাইন নিয়ম লাগু করেছে দিল্লীর কেজরিওয়াল সরকার। তা হল করোনা রিপোর্ট পসিটিভ আসুক বা নেগেটিভ ব্রিটেন থেকে ফিরলেই ৭ দিনের কোয়ারেনটাইন বাধ্যতামূলক। যা নিয়ে বিমানবন্দরেই ক্ষোভ উগরে দেন যাত্রীদের একাংশ। এয়ার ইন্ডিয়ার তরফ থেকে একটি টুইট করে শুক্রবার সন্ধেয় জানানো হয় যে লন্ডন থেকে পাড়ি দেওয়ার আগেই যাত্রীদের এই নতুন নিয়ম সম্পর্কে অবগত করা হয়েছিল।

নতুন নিয়ম শুনে ২০ জন যাত্রী তাঁদের যাত্রা বাতিল করেন বলেও দাবি করেছে এই উড়ান সংস্থা। এছাড়াও উড়ান চলাকালীনও নতুন এই নির্দেশিকার কথা বারবার জানানো হয় যাত্রীদের। ব্রিটেনের নয়া স্ট্রেন যাতে ভারতে দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে, সেই কারণেই এই কড়াকড়ি।  শনিবার উড়ান সংস্থা ভিস্তারার একটি বিমান ২৯১ জন যাত্রীকে নিয়ে দিল্লি পৌঁছবে।

এছাড়া রবিবারও ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ ও এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান ৪৮১ জন যাত্রীকে নিয়ে দিল্লি নামবে। এদিকে, লন্ডনে করোনা ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন দেখা দেওয়ার পর থেকেই সেখানকার পরিস্থিতির অবনতি শুরু করে। এই মুহূর্তে পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে  লন্ডনের মেয়র সাদিক খান জানান, সেখানে প্রতি ৩০ জন বাসিন্দার মধ্যে একজন এই মুহূর্তে করোনা পজিটিভ। পরিস্থিতি যদি এমনই খারাপ থাকে তাহলে আগামী দুই সপ্তাহর মধ্যেই হাসপাতালে বেডের সংখ্যায় ঘাটতি পড়বে বলেও দাবি করেন তিনি। গত এক সপ্তাহে প্রায় ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে লন্ডনে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা।

ব্রিটেন থেকে ফিরলেই বাধ্যতামূলক কোয়ারেনটাইন, নয়া নিয়ম নিয়ে ক্ষোভ যাত্রীদের মধ্যে। ভেন্টিলেটর প্রয়োজন এমন রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৪২ শতাংশ। সব মিলিয়ে লন্ডনে পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক। এমন অবস্থায় ব্রিটেন ফেরত যাত্রীদের জন্য নয়া নিয়ম যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত বলেই মনে করছে বিশেসজ্ঞমহল।   

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x