তৃণমূলের এজেন্ট হিসাবে সাসপেণ্ড করেছেন স্পিকার, রাজ্যপালকে চিঠি দুই বিধায়কের

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ৭ মার্চ রাজ্যপালের ভাষণ চলাকালীন বিজেপি বিধায়কদের বিক্ষোভের জেরে বিধানসভা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যার জেরে সাসপেণ্ড করা হয় বিজেপি বিধায়ক সুদীপ মুখ্যোপাধ্যায় এবং মিহির গোস্বামীকে। শুক্রবার রাজ্যপালের কাছে চিঠি দিয়েছেন তাঁরা। অভিযোগ, ঐ দিন বিধানসভায় ছিলেন রাজ্যপাল। যদিও পদক্ষেপ নেওয়ার হয় তাহলে রাজ্যপালের নেওয়ার কথা। অভিযোগ, তৃণমূলের এজেন্ট হিসাবে সাসপেণ্ড করেছেন স্পিকার। 

আরও পড়ুনঃ Anish Khan Death: সত্যিই কী খুন হয়েছিলেন আনিস খান? আদালতে রিপোর্ট পেশ করল সিট এবং জেলা জজ

বিজেপির বিধায়ক মিহির গোস্বামী জানিয়েছেন, ৭ তারিখ যে ঘটনার জন্য সাসপেণ্ড কড়া হয়েছে, সেদিন হাউজের দায়িত্বে ছিলেন রাজ্যপাল। যদি সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাহলে রাজ্যপালকে নিতে হবে। তা না করে রাজ্যপাল যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্পিকারকে আলোচনায় ডেকেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে প্রতিহিংসাপরায়ন হয়ে তৃণমূলের এজেন্ট হিসাবে স্পিকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার বিরুদ্ধে সাংবিধানিক প্রধান হিসাবে রাজ্যপালকে জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত অবৈধ। সাসপেনশন তোলার ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান।

বিজেপির মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্‌গা বলেন, সেদিন স্পিকারের পরিবর্তে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল। তাই দুই বিধায়কের সাসপেনশন যে অনৈতিক তা প্রমাণিত হয়ে গেল। সেদিন যেহেতু চেয়ারে রাজ্যপাল ছিলেন তাই দুই বিধায়কের সাসপেনশনের বিষয়ে স্পিকার পদক্ষেপ নিতে পারেন না।

WB: Assembly Polls Become Talking Point While State Struggles with  Pandemic, Post-Amphan Recovery | NewsClick

উল্লেখ্য, ৭ মার্চ রাজ্যপালের ভাষণের মাধ্যমেই শুরু হওয়ার কথা ছিল বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের। প্রথম দিনেই বিজেপি বিধায়কদের বিক্ষোভের জেরে কার্যত রণক্ষেত্রে আকার নেয় বিধানসভা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। বাজেট বক্তৃতা না করেই চলে যেতে হয় রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে।

এদিন রাজ্যপালের ভাষণ শুরু হওয়ার সময়েই ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। সোমবার বিক্ষোভরত বিজেপি বিধায়কদের থামাতে অনুরোধ করেন রাজ্যপাল। কিন্তু রাজ্যপালের কথা অমান্য করায় বিধানসভা ছেড়ে বেরিয়ে যেতে চান তিনি। কিন্তু রাজ্যপাল সহ অন্য মন্ত্রীরা তাঁকে পথ আটকায়। হাতজোড় করে রাজ্যপালের কাছে অনুরোধ করেন রাজ্যপাল। মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধের পরেই বসে পড়েন রাজ্যপাল।

তৃণমূলের এজেন্ট হিসাবে সাসপেণ্ড করেছেন স্পিকার, রাজ্যপালকে চিঠি 

তৃণমূলের এজেন্ট হিসাবে সাসপেণ্ড করেছেন স্পিকার, রাজ্যপালকে চিঠি 
তৃণমূলের এজেন্ট হিসাবে সাসপেণ্ড করেছেন স্পিকার, রাজ্যপালকে চিঠি 

বিধায়কদের শান্ত হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন রাজ্যপাল। কিন্তু বিজেপির বিধায়করা মাটিতে বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলতে আসেন শুভেন্দু অধিকারী। ছিলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিছু সময় ধরে কথা হয়। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করে তৃণমূল বিধায়করা। এরপর বাজেটে বক্তৃতা না দিয়েই বিধানসভা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন রাজ্যপাল। তাঁকে বাধা দেন তৃণমূলের মহিলা বিধায়করা। ছিলেন শশী পাঁজা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে মমতার নির্দেশে সরে আসেন তাঁরা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

সদ্য প্রকাশিত

এই ক্যাটেগরির আরও খবর