মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে—আর তার মাঝেই ইরানকে সরাসরি ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিলেন Donald Trump। হরমুজ় প্রণালী অবিলম্বে না খুললে ভয়াবহ সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন করে চাপ তৈরি করলেন তিনি। জ্বালানি সরবরাহের এই গুরুত্বপূর্ণ রুট ঘিরে সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিকেও নাড়িয়ে দিয়েছে।
রবিবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম Truth Social-এ করা পোস্টে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হরমুজ় প্রণালী না খুললে ইরানের একাধিক পাওয়ার প্ল্যান্টে ‘সম্পূর্ণ ধ্বংসাত্মক’ হামলা চালানো হবে। তাঁর কথায়, এই অভিযানের সূচনা হবে ইরানের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করেই।


উল্লেখ্য, Strait of Hormuz বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। বিশ্বের একটি বড় অংশের ক্রুড অয়েল এই প্রণালী দিয়েই পরিবাহিত হয়। ফলে এই রুট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে।
আমেরিকা ও Israel-এর সামরিক পদক্ষেপের পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান এই প্রণালী বন্ধ করে দেয়। তার জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট আরও তীব্র হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বহু দেশ তাদের মজুত তেল বাজারে ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।
এই সঙ্কটের মধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসন এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়—ইরানের তেলের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এক মাসের জন্য শিথিল করা হয়, যাতে বাজারে সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক রাখা যায়। তবে একইসঙ্গে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে ইরানের উপর চাপও বাড়ানো হচ্ছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ় প্রণালী ঘিরে এই সংঘাত যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তা হলে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, গোটা বিশ্বের জ্বালানি বাজার ও অর্থনীতিতে তার গভীর প্রভাব পড়তে পারে।







