নজরবন্দি ব্যুরোঃ দশ জনপদের বৈঠক এফেক্ট যে দেশের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেত চলেছে তা প্রায় একবাক্যে মনে করেছিল সব মহল। দিল্লিতে গিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী যত বৈঠক করেছেন সবই তাতপর্যপূর্ন হলেও সকলের নজর ছিল দুই দলদনেত্রীর বৈঠকের দিকে।
আরও পড়ুনঃ দেশের অ্যাকটিভ রোগীর ৩৭ শতাংশই বিজয়নের রাজ্যের, আজই কেরলে কেন্দ্রীয় টিম


মমতা-সনিয়ার বৈঠকে সকলেই একপ্রকার নিশ্চিত ছিলেন সেখানেই সলতে পাকানো হয়ে গিয়েছে দুই ২৪ এর দেশ জয়ের লড়াইয়ের। বৈঠক শেষে মমতা বলেছিলেন, ‘হোপ ফর ২৪’। দেশের লড়াইয়ের ব্লু প্রিন্ট তৈরি হচ্ছে সবে। তার কলা কৌশল এখনো সামনে না এলেও দুই দলদনেত্রীর বৈঠকের এফেক্ট সামনে এসেছে ইতিমধ্যেই।
বিরীধী দল নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সরব হলেও আগেই দু’দিনের কংগ্রেসের ডাকা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না তৃণমূলের তরফের কেউ। সেই নিয়ে জল্পনাও ছিল। যখন বৈঠকে বসছেন দুই নেত্রী, তাহলে কংগ্রেসের ডাকা বৈঠকে কেন গরহাজির মমতার সাংসদরা।
দশ জনপদের বৈঠক, দুই দলনেত্রীর বৈঠকে তৈরি রণকৌশলের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ

তবে মিটে গিয়েছে সেই সমস্যাও। এবার রাহুলের ডাকা বিরোধী দলের সাংসদদের নিয়ে ডাকা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সৌগত রায়। এই মুহুর্তে পেগাসাস ইস্যুকে হাতিয়ার করে ঘরে বাইরে কেন্দ্র সরকারকে চাপে রাখার পরিকল্পনা কষছে দেশের ১৮ টি বিরোধী দল। বিরোধীদের প্রতিবাদ-হট্টোগোলে প্রায় দিন মুলতুবি রাখতে হচ্ছে অধিবেশন।



আজ সেসব নিয়েই বসেছিল বৈঠক। রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গের নেতৃত্বে বসা ওই বৈঠকে উপসস্থিত ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এর আগেও বৈঠক হয়েছে, এমনকি মমতার দিল্লিতে উপস্থিতিতে গত বুধবার বৈঠক হয়েছে, তাতেও উপস্থিত ছিলেন না তৃণমূলের কেউ। সেদিক থেকে আজকের সৌগত রায়ের উপস্থিতি দেখে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে এই ঘটনা দশ জনপদের বৈঠক এফেক্ট,







