নজরবন্দি ব্যুরো: ভ্যাপসা গরম আর বৃষ্টির কম্বিনেশন একেবারেই পছন্দ করেছেন না অনেকে। এমন পরিবেশ থেকে পালিয়ে দূরে কোথাও যেতে চাইছেন? ভ্রমণপিপাসুরা নিরিবিলি কোনও জায়গায় সময় কাটানোর প্ল্যান করছেন? পাহাড়ি গ্রামে একবার গেলে আর ফিরতে চাইবেন না। আজ খোঁজ রইল সেই অফবিট ঠিকানার।
আরও পড়ুন: পাহাড়-জঙ্গল অনেক ঘুরেছেন, এবার সমুদ্রে যাবেন ভাবছেন? খোঁজ রইল ৩ সেরা সৈকতের


পালমাজুয়া
মিরিকের কাছে ৫ হাজার ৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই পাহাড়ি গ্রাম। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে পালমাজুয়ার দূরত্ব মাত্র ৬০ কিমি। এখানে ঘুরতে এলে মিরিক গুমফা, টিংলিং ভিউ পয়েন্ট, টিবেটিয়ান গুম্ফা ঘুরে দেখতে পারেন। এরই সঙ্গে রামেতি ভিউ পয়েন্ট দেখতে ভুলবেন না। পাহাড়ের গা বেয়ে এই ছোট্ট সবুজ গ্রাম, আর একটু নিচের দিকে গেলে আরেকটি অজানা পাহাড়ি গ্রামেরও খোঁজ পাবেন। প্রকৃতির অন্যরকম সৌন্দর্য দেখতে এই গ্রামেও ঘুরে আসতে পারেন। পালমাজুয়ায় পর্যটকদের জন্য বাড়তি পাওনা হল কাঞ্চনজঙ্ঘার দর্শন।

সিঙ্গামারি
দার্জিলিং ম্যাল থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এই পাহাড়ি গ্রাম। অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ হলে সিঙ্গামারি আপনার জন্য আদর্শ জায়গা। এখানে ঘুরতে এসে রোপওয়ে, হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং মিউজিয়াম ঘুরে আসতে পারবেন। বাড়তি পাওনা হিসেবে থাকবে কাঞ্চনজঙ্ঘার ঝলক। সাথে থাকবে পাহাড়ি ঝর্না। কোলাহল থেকে দূরে কয়েকদিন নিরিবিলি জায়গায় ঘুরে আসুন। দার্জিলিং পৌঁছে সেখান থেকে ১৫ টাকা খরচ করলেই চলে যেতে পারবেন এই গন্তব্যে।



কিজম
পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গের একটি জেলা দার্জিলিং থেকে কয়েকঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত। এক দুদিন কংক্রিটের শহরের কোলাহল ভুলে এই পাহাড়ি গ্রামে সময় কাটাতে পারেন। এই গ্রামের মধ্যে দিয়ে বয়ে চলেছে রঙ্গিত নদী। চারিদিকে সবুজে ঘেরা, পাখির ডাক আপনার মন ভালো করে দেবে। এই পাহাড়ি গ্রামে বসেই আপনি সিকিমের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। সিকিমের রাস্তা, সেখানকার যানবাহন- সব কিছুই আপনি কিজমে বসে দেখতে পাবেন। দার্জিলিং থেকে কিজমের দূরত্ব মাত্র ৩০ কিলোমিটার।
ভ্যাপসা গরম আর বৃষ্টির কম্বিনেশন পছন্দ নয়! মন ভালো করতে বেছে নিন কোনও এক পাহাড়ি গ্রাম








