নজরবন্দি ব্যুরো: বাঙালির ভ্রমণ মানেই দিপুদা। এর বাইরে বেরিয়ে অন্য কোনও ঠিকানা সহজে মাথায় আসে না। পাহাড়প্রেমীরাও সেই একঘেয়ে দার্জিলিং আর যেতে চাইছেন না। তবে জানেন কি দার্জিলিংয়ের কাছেই এক বিরাট পাহাড়ি জঙ্গল। এবার পুজোর ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন সেই জায়গায়। বাজেটের মধ্যেই অল্প খরচে সুন্দর কাটবে কয়েকটা দিন। পাহাড়ি জঙ্গলের নাম কী? কীভাবে যাবেন? কত খরচ পড়বে? বিস্তারিত জেনে নিন এই প্রতিবেদনে।
আরও পড়ুন: পর্যটকদের মনোরঞ্জনের বিশেষ ব্যবস্থা পাহাড়ে, পুজোয় আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে দার্জিলিং


আজকের গন্তব্য মাজুয়া। দার্জিলিংয়ের সামনে সিঙ্গলিলার কাছে অবস্থিত এই পাহাড়ি জঙ্গল। এখানে এলে দেখতে পাবেন বড় বড় গাছ সারিতে দাড়িয়ে রয়েছে। বড় বড় ও পাইন গাছের মধ্যে দিয়ে চলে গিয়েছে একটি নদী। সেখানের নিস্তব্ধতা এতটাই যে নদীর জলের কলকল শব্দ সারাদিন জুড়ে শুনতে পাবেন। ভোরবেলা কটেজে বসেই উপভোগ করতে পারেন অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এখানে খরস্রোতা নদীর ধারে একটি সেতু আছে। সেখানে দাঁড়িয়ে আপনি নিজের এবং পারিপার্শ্বিক পরিবেশের ছবি, ভিডিও ক্যামেরাবন্দী করতে পারেন। পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে কয়েকদিন নিরিবিলি, শান্ত পরিবেশে কেটে যাবে। এই অফবিট লোকেশন পর্যটন মানচিত্রে জায়গা করে নিতে পারেনি বলে এখানে খুব একটা ভিড় চোখে পড়ে না।

এখানে রাত্রিবাসের জন্য কোনও সমস্যা হবে না। মাজুয়ায় কিছু কটেজ আছে। যার বারান্দায় বসে সময় কাটাতে পারবেন। বিদ্যুৎ পরিষেবা যাতে ব্যহত না হয় তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কটেজগুলিতে পাওয়ার ব্যাকআপের ব্যবস্থা রয়েছে। মাথাপিছু ১৫০০-২০০০ টাকা খরচ পড়বে। খাওয়া দাওয়া নিয়েও সমস্যা হবে না। দিনের আর রাতের সৌন্দর্যটা ঠিক আলাদা এখানে। রাতের সৌন্দর্য এতটাই আলাদা যে আপনি ঠিক থ্রিলার সিনেমার উপলব্ধি হবে। একদম ঘন কালো অন্ধকারেও আপনি অনায়াসে সময় কাটিয়ে দিতে পারেন।



কীভাবে যাবেন?
আপনাকে প্রথমে এনজেপি স্টেশনে যেতে হবে। সেখান থেকে গাড়িতে চলে যেতে পারেন মাজুয়া। আগে থেকে কটেজ বুকিং করে নিতে পারেন। পুজোর কয়েকটা দিন সব ব্যস্ততা ভুলে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চলে আসুন এই ঠিকানায়।
দার্জিলিংয়ের কাছেই রয়েছে এক পাহাড়ি জঙ্গল, এবার পুজোর ছুটিতে গন্তব্য হোক মাজুয়া








