নজরবন্দি ব্যুরো: ভ্রমণপ্রিয় বাঙালি কয়েকদিন ছুটি পেলেই ছোটে হাতের নাগালে উত্তরবঙ্গে। পাহাড়ি সৌন্দর্য্যের মাঝেই কয়েকদিন নিরিবিলিতে কাটিয়ে দিতে চায়। উত্তরবঙ্গের নজরকাড়া একাধিক পর্যটন কেন্দ্রে বছরভর পর্যটকদের আনাগোনা লেগেই থাকে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়ঙের বহু এলাকাতেই ঈশ্বর যেন ঝুলি উজার করে অসাধারণ প্রাকৃতিক শোভা ঢেলে দিয়েছেন। আজ খোঁজ রইল এক পাহাড়ি গ্রামের যেখানে ঘুম ভাঙায় কাঞ্চনজঙ্ঘা।
আরও পড়ুন: এবারের ছুটিতে গন্তব্য উত্তরবঙ্গ, এই তিন জায়গা ঘুরে না দেখলেই নয়


আজকের গন্তব্য ইচ্ছেগাঁও। কালিম্পং পাহাড়ের উঁচুতে একটি ঢাল বেয়ে যেন সৌন্দর্যের বাঁধ ভেঙে পড়েছে। অপরূপ এই পাহাড়ি গ্রামে একবার এলেই আর ফিরে যেতে চাইবেন না। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত, ইচ্ছেগাঁওয়ের ফ্লেভারটাই বড় নেশাময়। এই ঠিকানায় ঘুরতে এলে সবথেকে বড় পাওনা কাঞ্চনজঙ্ঘা। ভোরের আলো ফুটলেই চোখের সামনে ধরা পড়বে। কয়েক বছরে রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে নজর কেড়েছে কালিম্পং জেলার এই তল্লাট। ইচ্ছেগাঁওয়ের ঠিক উপরেই রয়েছে আরও একটি গ্রাম সিলারিগাঁও। অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ হলে ভোর ভোর বেরিয়ে ট্র্যাকিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারেন।

এই পাহাড়ি গ্রামের সৌন্দর্য যেন ঠিক ছবির মত। প্রকৃতির মায়া উপভোগ করতে করতেই চোখ জুড়িয়ে যাবে। বসতি রয়েছে কিছু। প্রত্যেক বাড়িতেই নানা অজানা পাহাড়ি ফুল দেখতে পাবেন। বর্তমানে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ডেলো পাহাড় দেখতে ভুলবেন না। এছাড়া থার্পা তোলিং মঠ, মরগ্যান হাউস, নেওড়াভ্যালি ন্যাশনাল পার্ক, লেপচা জাদুঘর, জং ডং পালরি ফো ব্রাং মনাস্ট্রি ঘুরে দেখতে পারেন।



কীভাবে যাবেন?
প্রথমেই নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন পৌঁছাতে হবে। সেখান থেকে কালিম্পং যাওয়ার ছোট গাড়ি কিংবা বাস পেয়ে যাবেন। ঘন্টা তিনেকের মধ্যে পৌঁছে যাবেন। কালিম্পং থেকে যেতে সময় লাগবে আরও ১ ঘণ্টা। এছাড়া জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে সরাসরি ইচ্ছেগাঁও যাওয়ার গাড়ি ভাড়া করে নিতে পারেন।
ভোরের আলো ফুটতেই উঁকি দেবে কাঞ্চনজঙ্ঘা, পুজোর ছুটিতে যাবেন নাকি বাংলার এই গ্রামে?









