নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাত পোহালেই বালিগঞ্জ এবং আসানসোলের নির্বাচন। কিন্তু উপনির্বাচনের পারদ সে অর্থে চড়তে পারেনি। কারণ, সাম্প্রতিককালে রাজ্যের একাধিক ঘটনাবলী এখন সংবাদের শিরোনামে। তাই নামে উপনির্বাচন হলেও এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য কঠিন পরীক্ষার সমান।
আরও পড়ুনঃ ফের ধর্ষণের ঘটনা রাজ্যে, গণধর্ষণের পর কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ


পুরভোটের পর রাজ্যজুড়ে সবুজ ঝড়ের হাওয়ার দাপট কমেনি। তাক লাগানো মার্জিনে জয়লাভ করেছেন ঘাসফুলের প্রার্থীরা। কিন্তু তার পর রাজ্যজুড়ে বদলে গেছে পরিস্থিতি৷আমতার আনিস খানের হত্যা থেকে সাম্প্রতিককালের হাঁসখালির ঘটনা রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে জনমত নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। তার ওপর বগটুই এবং ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের ঘটনার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে চলে যাওয়ায় সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।
এরই মধ্যে তৃণমূলের প্রার্থীদের নিয়েও দলের অন্দরে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বাবুল সুপ্রিয়কে টিকিট দেওয়া। প্রয়াত সুব্রত মুখ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তার পালে হাওয়া লাগিয়ে নির্বাচনের বৈতরণী পার করলেও মার্জিন কমতে পারে বাবুলের৷ অন্তত শেষ মুহুর্তে ড্যামেজ কন্ট্রোল দিতে নেমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যতেও তেমনটাই আভাস পাচ্ছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সেকারণেই ব্যক্তি নয়, প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উল্লেখ করতে হয়েছিল তাঁকে।
অন্যদিকে, আসানসোলে পরীক্ষাটা বেশ কঠিন। কারণ, গত দুই দফায় এই কেন্দ্র থেকেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীপদে নির্বাচিত হয়েছেন বাবুল। ‘বিহারী বাবু’ শত্রুঘ্ন সিনহার জনপ্রিয়তা বেশী হলেও তাঁর লড়াই এতটা সহজ নয়। বাঙালি অগ্নিমিত্রা কী শিল্পাঞ্চলে গেরুয়ার দাপট বজায় রাখতে পারবে?


নামে উপনির্বাচন, চাপে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী

তবে পুরভোটে বিপুল জয়ের পর উপনির্বাচনে উলোটপুরান হলে তা হবে মমতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জের৷ আগামী বছরের পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে পরিস্থিতি হাতের বাইরে যেতে দিতে নারাজ শাসক দল৷ তবে জায়গা ছাড়তে নারাজ বিরোধীরাও। রাজ্যের একাধিক ইস্যুকে হাতিয়ার করে শাসক দলকে কোণঠাসা করতে মরিয়া তাঁরাও৷ শেষ চালে বাজিমাত কে করবে? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের।







