নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েতে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস, একথা যেমন সত্যি, তেমনই পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার ব্যাপক সংঘর্ষ তৃণমূলেরই দুই পক্ষের। ফের একবার প্রকাশ্যে শাসক দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। একদিকে, চাঁচলে ‘উপপ্রধান কে হবেন’ নিয়ে তৃণমূলের দুই পক্ষ বিবাদে জড়ায়। অন্যদিকে, হুগলির আরামবাগেও বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। দিকে দিকে এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রুখতে সক্রিয় পুলিশ।
আরও পড়ুন: মমতাকে জঙ্গলমহল আমি চিনিয়েছি, আদিবাসী দিবসে দাবী শুভেন্দুর!
মালদহের চাঁচলে উপপ্রধান কে হবেন তা নিয়ে ব্যাপক ঝামেলা বাঁধে তৃণমূলেরই দু’পক্ষের মধ্যে। আজ সেখানে বোর্ড গঠন ছিল। প্রথম উপপ্রধান হেলি খাতুনকে করা হবে বলে এক পক্ষের দাবি। কিন্তু উপপ্রধান করা হয় মোক্তার হোসেনকে। এই নিয়েই শুরু হয় বিবাদ। চাঁচল পঞ্চায়েত অফিসের সামনেই হাতাহাতি বাঁধে শাসক দলের দু’পক্ষের মধ্যে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নাজেহাল পুলিশ। যদিও জেলা নেতৃত্ব এই বিষয়টি অস্বীকার করেছে, তাঁদের বক্তব্য, দল থেকে যাকে ঠিক করা হয়েছে তিনিই উপপ্রধান হবেন।

অন্যদিকে, হুগলির আরামবাগের আরান্ডি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে ‘প্রধান’ কে হবেন তা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঝামেলার সূত্রপাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেমছে পুলিশ ও র্যাফ। জানা গিয়েছে, আরান্ডি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে সদস্য সংখ্যা ১৬, সেখানে ৫টি আসনে জিতেছে বিজেপি, ১টি নির্দল এবং বাকী ১০টি আসনেই জয়ী হয়েছে তৃণমূল। সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিচারে এখানে তৃণমূলেরই বোর্ড গঠনের কথা। তবুও প্রধান পদের লড়াইকে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তি, হাতাহাতিতে জড়ায় শাসক দল। গোটা ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী।
চাঁচল থেকে আরামবাগ, বোর্ড গঠনের আগে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে দিকে দিকে উত্তেজনা!




