নজরবন্দি ব্যুরো: বাংলায় ফের হিংসার ঘটনা। তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুনের (TMC Worker Murder at baruipur) অভিযোগ। শনিবার রাতে ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পুলিশ জেলার অন্তর্গত বলবন এলাকায়। এই খুনের পিছনে বিরোধী দলের হাত আছে বলে অভিযোগ তুলেছে শাসক শিবির। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজ্যের বকেয়া মেটানোর দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক মমতার, থাকবেন অভিষেকও
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম সইদুল আলি শেখ। পেশায় গাড়িচালক, তিনি এলাকায় তৃণমূল কর্মী (TMC Worker) হিসেবে পরিচিত ছিলেন। শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) রাতে বাড়ি ফেরার পথে কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁকে ঘিরে ধরে বেধরক মারধর শুরু করে। এরপর ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন (Baruipur Murder) করে তাঁকে। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি জমি সংক্রান্ত বিবাদে জড়িয়ে ছিলেন সইদুল। মৃতের স্ত্রীর অভিযোগ, আজিজুল, সাগির, সাদ্দাম, সাগির ও তাঁর দলের লোকেরা পরিকল্পনা করে খুন করেছে।

তৃণমূলের (TMC) অভিযোগ, বিজেপি (BJP) ও সিপিএম (CPIM) একসঙ্গে যুক্ত হয়ে ঘটনাটি ঘটিয়েছে। ব্লক তৃণমূল সভাপতি গৌতম দাস বলেন, ‘সিপিএম বিজেপি যৌথভাবে নির্দল প্রার্থী দিয়ে আমাকে হারাতে চেয়েছিল। কিন্তু তাঁরা ব্যর্থ হয়। তৃণমূলের জয় হয়। সইদুল ভোটের সময় অনেক সহযোগিতা করেছিল। হার মানতে না পেরেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে তাঁরা।’ তৃণমূলের আরও অভিযোগ, ‘সইদুলকে বাড়ির সামনেই কুপিয়ে খুন করা হয়। তাঁর স্ত্রী প্রাণ ভিক্ষা করলেও দুষ্কৃতীরা রেহাই দেয়নি। এমনকি সইদুলের স্ত্রী ও মেয়ের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।’ যদিও শাসক শিবিরের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে সিপিএম।
তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন, স্ত্রী-মেয়ের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

উল্লেখ্য, গতমাসেই জয়নগরে (Jaynagar) খুন হয় তৃণমূল নেতা সাইফুদ্দিন লস্কর। সকালবেলা নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হয় তাঁর। পুলিশের তদন্তে উঠে আসে, পরিকল্পনা করেই তৃণমূল নেতাকে খুন করা হয়েছিল।



