নজরবন্দি ব্যুরোঃ যেভাবে বিরোধী প্রার্থী মার্গারেট আলভাকে নির্বাচিত করা হয়েছে। তাতে সঠিক হয়নি। নাম ঘোষণার পরেই জানানো হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাই উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদান থেকে বিরত থাকবে তৃণমূল। সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই জানালেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ Mir: রেডিও ছেড়ে এবার কি করতে চলেছেন মীর? জানালেন তিনি নিজেই
উল্লেখ্য, আগামী ৬ অগাস্ট দেশের উপরাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন। সেই পদে এনডিএর পদপ্রার্থী হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে। অন্যদিকে বিরোধীদের পদপ্রার্থী হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে প্রাক্তন কংগ্রেস নেত্রী মার্গারেট আলভাকে। বিরোধীদের তরফে প্রার্থী ঠিক করার দিনে শরদ পাওয়ারের বাসভবনে দেখা যায়নি তৃণমূলকে। সেখান থেকে অনেকেই মনে করেছিলেন এবার হয়তো দ্বন্দ্ব ভুলে রাজ্যপালকেই সমর্থন করবে তৃণমূল। কিন্তু দলের সিদ্ধান্তের আগে মুখ খুলতে চাননি তৃণমূলের নেতারা।

২১ জুলাইয়ের সমাবেশের পর দুপুরে বৈঠকে বসে তৃণমূল। সেখানে সমস্ত সাংসদদের পক্ষ থেকেই মতামত নিয়েই উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূলের তরফে এদিন একথা সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যপাল থাকাকালীন জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে শাসক দলের যে সম্পর্ক ছিল, তা থেকেই তাঁকে সমর্থন থেকে দূরে থেকেছে ঘাসফুল শিবির। বিরোধী প্রার্থী মার্গারেট আলভাকে যেভাবে কোনও আলোচনা ছাড়াই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাতে বেজায় ক্ষুব্ধ দলের নেতারা। তাই তৃণমূলের তরফে ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থী যশবন্ত সিনহাকে সমর্থন করেনি অনেক দলই। তখন বারবার বিরোধী ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এবার কী তবে বিরোধী ঐক্য নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠবে?ম এবিষয়ে অবশ্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, শুধুমাত্র উপরাষ্ট্রপতি অথবা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেই বিরোধী ঐক্যের প্রমাণ করা যায় না। কিন্তু ব্যক্তিগত স্বার্থ এবং ঐক্যের বাইরে এসে বিরোধী জোটের কথা ভাবতে হবে।
উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদান থেকে বিরত থাকবে তৃণমূল, বিরোধী ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন

তৃণমূল সাংসদের কথায়, ঐক্য তো আপনি সংসদের ভিতরেও দেখাতে পারেন। ঐক্য তো আপনি সাধারণ মানুষের ইস্যু নিয়ে রাস্তায় নেমে দেখাতে পারেন। শুধুমাত্র বিরোধী প্রার্থীকে সমর্থন মানে বিরোধী ঐক্য না করলে নয়। এটা হতে পারে না। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে হবে। আমরা মাঠে ময়দানে লড়াই করতে প্রস্তুত। কোনও দল আসতে চাইলে আমরা তাঁদেরকে অমর্থন জানাবো।



