নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাবা ক্ষীতি গোস্বমী ছিলেন বাম জমানার নাম জনপ্রিয় নেতা। দীর্ঘ দিন ছিলেন মন্ত্রীও। মেয়ে বসুন্ধরা কিন্তু অনেকদিন আগে থেকেই নাম লিখিয়েছেন তৃণমূলে। এমনকি তাঁর লেখা তৃণমূলের সম্পাদকীয় ‘জাগো বাংলা’ প্রকাশিত হওয়ার পর রীতিমতো রাজনৈতিক মহলে সমালোচনাও হয়েছে। এবার পুরভোটে তৃণমূলের প্রার্থী ক্ষীতি কন্যা। লড়বেন ৯৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে।
আরও পড়ুনঃ KMC Election 2021: মমতার ছোঁয়ায় বদলে গেল অনেক নাম, দেখুন তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা!


বাবা আলিমুদ্দিনের ভরসাযোগ্য সৈনিক হলেও বসুন্ধরা ভরসা রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপরেই। ফেসবুক পেজে দেখা যায় “বাংলার গর্ব মমতা” -র ছবি। সম্প্রতি রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে ত্রিপুরায় প্রচারে গিয়েছিলেন ক্ষীতি গোস্বামী। বিপ্লব দেবের সরকারের বিরুদ্ধে বসুন্ধরার ভাষণ তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের নজর কেড়েছে। তাই বামেদের একসময়ের দূর্গ যাদবপুরেই বসুন্ধরার হাতে ব্যাটন তুলে দিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।
শুধুমাত্র তাই-ই নয়, ত্রিপুরায় সংগঠনের প্রসারে বাম নেতার মেয়েকে রেখে সংগঠনকে উজ্জীবিত করতে চাইছিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। বাম অথবা কংগ্রেস নয়, ত্রিপুরায় বিজেপিকে পরাস্ত করতে একমাত্র পারে তৃণমূল। এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রচারে নেমেছিল ঘাসফুল শিবির। এই কথা ত্রিপুরার প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে দিতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কথা বলেন তৃণমূল নেতারা। আলাদা করে মহিলাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ক্ষীতি কন্যা বসুন্ধরা।
তৃণমূল নেতৃত্বের কথায়, বাম জমানার মন্ত্রী হয়েও বিন্দুমাত্র গরিমা বসুন্ধরার নেই। একেবারে মাটিতেঁ নেমে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েহে বসুন্ধরার। মানুষের সঙ্গে বাস্তব অবস্থা বোঝার ক্ষমতা রয়েছে তাঁর। কিন্তু প্রশ্ন হল বসুন্ধরা প্রার্থী হলে কতটা ক্ষতি হবে বামেদের?


তৃণমূলের প্রার্থী ক্ষীতি কন্যা, মাস্টারস্ট্রোক তৃণমূলের

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, কিছুদিন আগে তৃণমূলের মুখপাত্র ‘জাগো বাংলা’য় অনীল বিশ্বাসের কন্যা অজন্তা বিশ্বাসের লেখা সম্পাদকীয় নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। দলের নীতির বাইরে যাওয়ার জন্য শাস্তি ঘোষণা করেছিল আলিমুদ্দিন। সেই সময় অজন্তার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বসুন্ধরা। বলেছিলেন স্টালিনিস্ট আচরণ করছে সিপি(আই)এম। একের পর এক বর্ষীয়ান নেতাদের পরিবার বাম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় সংগঠনকে উজ্জিবীত করতে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়ছেন আলিমুদ্দিনের নেতারা।







