নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত শনিবার থানার পাশে জায়গা নিয়ে বচসা জড়ান মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবির। নিজেদের অনুগামীদের নিয়ে থানা ঘেরাও করেছিলেন। এমনকি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন হুমায়ুন কবির। সোমবার ফের সরব হলেন তৃণমূল বিধায়ক। এবার তাঁর নিশানায় বিডিও ও ওসি। সাত দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবো, সাফ জানিয়ে দিলেন তৃণমূল বিধায়ক।
ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়কের কথায়, এই ওসি রাজু মুখ্যোপাধ্যায়, বিভিন্নভাবে যেমন বলছিলেন ইসকে বাদ ২০০ পার, এমনি উনিও ওখানে গিয়ে বলছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসতে পারবেন না। তৃতীয়বারের জন্য সরকার গড়তে পারবে না। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসবে। অনেকবার এসপিকে বলা হলেও এসপি কর্ণপাত করেনি। এমনকি বিডিওর বিরুদ্ধে ডিএমের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছিল, সেখানেও কোনও পদক্ষেপ দেখা যায়নি। সর্বোপরি অনেক জায়গাতেও বলা হয়েছে। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি।

বাকি আমি যেখানে বসবাস করি সেখানকার বিডিও অংশুমান দত্ত। তিনিও বিডিও গিরি করেন লোকাল টিমের মস্তান। আমার নেত্রী মুখ্যমন্ত্রীকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। সাত দিনের মধ্যে যদি সুরাহা না হয়, আমি আবার প্রকাশ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে জানাবো কী করে এদের সোজা করতে হয়।
শনিবার তৃণমূল বনাম পুলিশের বচসার জেরে উত্তপ্ত হয়েছিল ভরতপুর। জানা গিয়েছে, শনিবার মুর্শিদাবাদের ভরতপুর থানার সামনেই একটি জায়গা ঘিরছিল ভরতপুর থনার পলিশ। সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ভরতপুর ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নজরুল ইসলাম। অভিযোগ, সেখানে উপস্থিত হয়ে তিনি পুলিশের কাজে বাধাও দেন। পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু হয় ব্লক সভাপতির৷ এরপরেই উপস্থিত হন বিধায়ক হুমায়ুন কবির।
সাত দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবো, কেন একথা বললেন তৃণমূল বিধায়ক

এদিন থানার সামনেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে তৃণমূল কর্মীরা৷ সেখান থেকেই বিধায়কের বক্তব্য, তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের আমি বিধায়ক হিসাবে বলছি ভরতপুর থানার ওসি যে আচরণ করেছেন, যেভাবে পুলিশের ক্ষমতা দেখাচ্ছেন তা সবাই দেখেছে। ওই জায়গায় আমাদের একটি অস্থায়ী পার্টি অফিস ছিল। আমরা ওখানে স্থায়ীভাবে পার্টি অফিস করতে চেয়েছি। এখন ওসি বলছে এটা নাকি পুলিশের জায়গা। তৃণমূল বিধায়কের সোমবারের মন্তব্য সেই জল্পনায় ঘৃতাহুতি দিয়েছে।



