CRPF-এর সামনে মারব, মোদী-শাহ কেউ বাঁচাতে পারবে না, শুভেন্দুকে হুঙ্কার তৃণমূল নেতার!

CRPF-এর সামনে মারব, মোদী-শাহ কেউ বাঁচাতে পারবে না, শুভেন্দুকে হুঙ্কার তৃণমূল নেতার!
Tmc leader of Purba Medinipur threatened suvendu adhikari at kanthi

নজরবন্দি ব্যুরোঃ পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে তৃণমূলের ‘বিজেপির সন্ত্রাসবিরোধী মিছিল’ থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসকদলের এক নেতার বিরুদ্ধে। প্রদীপ গায়েন নামে ওই তৃণমূল নেতা শুভেন্দুর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘যদি দম থাকে তাহলে ১৫ মিনিটের জন্য সিআরপিএফ ছেড়ে বেরিয়ে আয়, কত বড় বাপের বেটা দেখব!’

আরও পড়ুনঃ ১২২ টি মামলা, বন্ধ যাবতীয় ব্যবসা, প্রশাসনিক চাপ সহ্য করতে না পেরে সারেন্ডার অর্জুনের: দিলীপ

এদিন কাঁথিতে বিজেপির সন্ত্রাস বিরোধী মিছিল করে তৃণমূল। মিছিল হয় শুভেন্দু অধিকারীর পাড়ায়। মিছিলের  পর এক সভায় কাঁথি ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রদীপ গায়েন বক্তব্য রাখছিলেন। সেখান থেকেই শুভেন্দুকে হুঙ্কার দেন তিনি। তার কথায়, ‘আমাদের ভদ্রতাকে আপনারা দুর্বলতা ভাবলে ভুল করবেন৷ কাল চাইলে আমার কাঁথিতে আপনাদের ঢুকতে দিতাম না৷ যদি দম থাকে তাহলে ১৫ মিনিটের জন্য সিআরপিএফ ছেড়ে বেরিয়ে আয়, কত বড় বাপের বেটা দেখব!’

sss 1

তবে শুধু সিআরপিএফ ছেড়ে আসার কথা বলেই থামেননি তৃণমূল নেতা। তিনি কার্যত মাত্রা ছাড়িয়ে বলে ওঠেন, ‘এরপরে মাত্রা অতিক্রম করলে সিআরপিএফের সামনে মারব৷ মোদী, শাহ কেউ বাঁচাতে পারবে না’৷ নিজের বক্তন্যের সাফাইও দিয়েছেন তৃণমূল নেতা প্রদীপ। তিনি বলেছেন, কেউ ইট মারবে আর আমরা ফুল ছুড়ব তাতো হতে পারেনা!

CRPF-এর সামনে মারব, মোদী-শাহ কেউ বাঁচাতে পারবে না, শুভেন্দুকে হুঙ্কার তৃণমূল নেতার!

suvendu adhikari

বক্তব্য রাখতে গিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দেওয়া গাইডলাইন উড়িয়ে দেন কাঁথি ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রদীপ গায়েন। তার কথায়, “নেতাদের কথা শুনে হাত গুটিয়ে বসে থাকব না৷ শুভেন্দু এরপরও মাত্রা অতিক্রম করলে আমরা কর্মীরা লড়াইটা বুঝে নেব৷ কাঁথিতে তোমার ঢোকা হবে না৷ কাঁথি অবরোধ করে রাখব’

CRPF-এর সামনে মারব, মোদী-শাহ কেউ বাঁচাতে পারবে না, শুভেন্দুকে হুঙ্কার তৃণমূল নেতার!
CRPF-এর সামনে মারব, মোদী-শাহ কেউ বাঁচাতে পারবে না, শুভেন্দুকে হুঙ্কার তৃণমূল নেতার!

এরপরই শুভেন্দুকে সরাসরি হুঙ্কার দিয়ে প্রদীপ বলেন, ‘১১ বছরে বাংলার উন্নয়ন, বাংলার আমূল পরিবর্তন সহ্য হচ্ছে না৷ ৯০ হাজার কোটি টাকা বকেয়া ৷ আগে সেটা মেটা৷ তারপর বড় বড় কথা বলবি৷ আসলে দিদির রাজত্বে বাংলার এত উন্নয়ন সহ্য হচ্ছে না৷ তাই মিথ্যে কুৎসার আশ্রয় নিতে হচ্ছে৷ বেশি লাফালাফি করবে না৷ তুমি যে স্কুলের মাস্টার, আমরা সেই একই কারখানার প্রোডাক্ট!’