TMC leader murder: সুপারি কিলার দিয়ে খুন তৃণমূল নেতা, নওদার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের হাতে

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ পঞ্চায়েত ভোটের আগে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। একের পর এক গুলি বোমা ও মৃত্যুর ঘটনায় আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি হয়াছে রাজ্যে। এর মাঝেই নওদা খুনের ঘটনায় মিলল নতুন হদিশ। পুলিশের হাতে এল ২ সুপারি কিলার। শনিবার ভোরে দুজনকে গ্রেফতার করা হল নদিয়ার থানাপাড়া এলাকায়। দুজনকেই আটক করে নওদা থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম সাইদ বিশ্বাস ওরফে বিশ্বজিৎ ও খতিব মণ্ডল ওরফে ইস্রাফিল। নদিয়ার থানারপাড়ার সাদিপুর এলাকায় মতিরুলের বাড়ির পাশেই এই দুই ধৃতের বাড়ি বলে জানা গেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ইস্রাফিলই এই ঘটনায় সুপারি কিলারের কাজ করেছিলেন।

আরও পড়ুনঃ বর্তমানে রাজ্যে এক আল্ট্রা ইমার্জেন্সির অবস্থা, ফের নিজ ভূমিকায় অবতীর্ণ শুভেন্দু

সূত্রের খবর সাঈদ বিশ্বাসকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ধৃত ইস্রাফিলকে গ্রেফতার করে জেলা আদালতে পেশ করা হয়েছে। মতিরুলের পরিবারের পক্ষ থেকে নওদা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ ও নদিয়া জেলা পরিষদের সদস্য টিনা ভৌমিক সাহা-সহ মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। মৃতের স্ত্রী সিআইডি তদন্তের দাবিও জানান। কিন্তু পুলিশ  তাঁদের মধ্যে কাউকেই আটক করতে পারেনি ।

সুপারি কিলার দিয়ে খুন তৃণমূল নেতা, নওদার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের হাতে
সুপারি কিলার দিয়ে খুন তৃণমূল নেতা, নওদার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের হাতে

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদের নওদার শিবনগর এলাকায় খুন হন নদিয়ার নারায়ণপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রিনা বিশ্বাসের স্বামী তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি  মতিরুল। করিমপুর-২ ব্লকের দুষ্কৃতী-হামলার পর রাস্তাতেই গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়েছিলেন মতিরুল। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলে সেখানেই মৃত্যু হয় নদিয়ার থানারপাড়া থানার সাদিপুরের বাসিন্দা মতিরুলের।

সুপারি কিলার দিয়ে খুন তৃণমূল নেতা, নওদার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের হাতে

motirul 1234567

মাত্র আট বছরের ছেলেকে ও আরও ছোট্ট মেয়েকে রেখেই মৃত্যু হয় এই তৃণমূল নেতার। আচমকাই সেদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ তিন-তিনটে বোমা বর্ষণ হয়। পালানোরও চেষ্টা করেছিলেন মনিরুল। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে পর পর তিনটি গুলিতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন নদিয়ার তৃণমূল নেতা মতিরুল বিশ্বাস (৪৫)। ছেলের সঙ্গে হোস্টেলে সাক্ষাৎ সেরে মেয়ের জন্য পুতুল আর স্ত্রীর জন্য কাঁচের বাটি কিনে বাড়ি ফিরছিলেন মনিরুল। কিন্তু ঘরে ফেরে তাঁর মৃতদেহ। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে থেকেই এইভাবে সন্ত্রাসের আবহ তৈরি হচ্ছে বাংলায়। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের খবর উঠে আসছে বারংবার। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই বসিরহাটে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থামাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন পুলিশ কনস্টেবল।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত