নজরবন্দি ব্যুরোঃ অবৈধভাবে আলু পাচার হচ্ছে ভিন রাজ্যে। আলুর ফলনের ওঠাপড়া বুঝে আগেভাগে আলু মজুত করে রেখেছিলেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। অন্য রাজ্যে বেশি চাহিদা থাকায় ও সেখানে ফলন আরও কম হওয়ায় বেশি মুনাফার লোভে ওড়িশা, ঝাড়খণ্ডে চলে যাচ্ছে এ রাজ্যের খেতে উত্পাদিত আলু।
আরও পড়ুনঃ পর পর দুদিন রেকর্ড হারে সংক্রমণ ভারতে,সঙ্গে মৃত্যু মিছিলও।
তার দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে বাজারে বাজারে হানা দিয়ে এমনই তথ্য জেনেছেন নবান্ন ও এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের (EB) আধিকারিকরা। অপর দিকে সরকারি ও বেসরকারি বাজার মিলিয়ে ৩৫০টি বাজারে পরীক্ষা চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে, কাজও শুরু হয়েছে। বাজার কমিটিগুলির সঙ্গেও কথা বলেছে পুর কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার ইবি কলকাতার কোলে মার্কেট, বৈঠকখানা, পোস্তা, মানিকতলা, রাসমণি বাজার, দমদম বাজার, ভবানীপুর, গড়িয়াহাট বাজার-সহ ৪৮টি বাজারে হানা দেয়।
এদিকে রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা স্পষ্ট, পাইকারি ব্যবসায়ীরা ২২ টাকায় প্রতি কেজি হিসাবে আলু কিনে ২৫ টাকায় খুচরো ব্যবসায়ীদের বিক্রি করবেন। আর, খুচরো বাজারে সাধারণ মানুষকে ২৭ টাকা দরে বিক্রি করতেই হবে। পাঁচ টাকার ফারাক থাকবে মাত্র। পাইকারি ব্যবসায়ীদের মুনাফার কারণেই যে আলুর এত দাম, সে বিষয়ে মোটামুটি স্পষ্ট কৃষি ও কৃষি বিপণন দপ্তর।
এমনিতেই সুফল বাংলার স্টলগুলিতে কেজি প্রতি ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে জ্যোতি আলু। সেখানে অবশ্য আলু কিনতে ভিড়ও হচ্ছে। নিমেষে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে আলু। কলকাতার বহু বাজারে চড়া দামে আলু বিক্রির অভিযোগও এসেছে। কোথাও ৩০, কোথাও ৩২ বা ৩৪ টাকাতেও বিক্রি করতে দেখা গেছে। সরকারি নির্দেশিকায় ব্যবসায়ীদের সমর্থন থেকলেও বাস্তব পরিস্থিতি আলাদা।



