নজরবন্দি ব্যুরোঃ দলত্যাগী শুভেন্দুকে এবার বিশ্বাসঘাতক তকমা দিলেন নন্দিগ্রামের ‘শহিদ’ পরিবার। তৃণমূলের বিধায়ক থাকাকালীন কয়েক মাস আগে শুভেন্দু অধিকারী‘শহিদ’ স্মরণে সভা করেছিলেন। তাতে প্রচুর সংখ্যক মানুষ জমায়েত হয়েছিলেন।শুভেন্দু অধিকারীর সেই শহীদ স্মরণ সভায় তাঁর প্রতি যে সমর্থন দেখা গিয়েছিল, তার কিছুটা হলেও ধাক্কা খেয়েছে বুধবার তাঁর বিধায়ক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্তে।


নন্দীগ্রামের ‘শহীদ’ পরিবারের একাংশ তাঁদের সঙ্গে শুভেন্দু বিশ্বাসঘাকতা করেছেন বলে অভিযোগ করছেন।গত বুধবার রাতে নন্দীগ্রামের সাতেঙ্গা বাড়িতে শহিদ শেখ ইয়াসমিনের পরিবারের লোকজন শুভেন্দুর ফ্লেক্সে জুতোর মালা পরিয়ে দেন। তাতে ‘জুতা পেটা’ করা হয় বলে জানা যাচ্ছে।
ইয়াসমিনের ছেলে শেখ শাহারুন বলেন, ‘‘২০০৯ সালে লোকসভা ভোটে আমাদের পরিবারের কেউ ভোট দিতে যাব না বলে ঠিক করেছিলাম। শুভেন্দুবাবু ফোন করে বাবা-সহ পরিবারের সবাইকে ভোট দিতে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। ভোট দিয়ে আসার পরে আমার বাবাকে সিপিএমের গুণ্ডাবাহিনী ভোট দিতে যাওয়ার অপরাধে গুলি ও ভোজালি মেরে খুন করে। আর সেই শুভেন্দুবাবু তৃণমূল ছেড়ে দিলেন। নন্দীগ্রামে শহিদ পরিবারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন। কারও কথা শুনে আমাদের মত বাবাকে যেন কাউকে না আর হারাতে হয়।’’
দলত্যাগী শুভেন্দুকে এবার বিশ্বাসঘাতক তকমা দিলেন নন্দিগ্রামের ‘শহিদ’ পরিবার। ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ মাসে ছেলে শেখ ইমাদুলকে নিহত হতে দেখেছিলেন তাঁর বাবা শেখ দয়ান। তিনি বলেন, ‘‘আমি তৃণমূলের সঙ্গে রয়েছি। কিন্তু শুভেন্দুবাবু তৃণমূলের সঙ্গে বেইমানি করলেন। শুভেন্দুবাবুর এই কাজটা ভাল চোখে দেখছি না।’’









